📌 মাগুরা-ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ রেলসংযোগ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হয়েছে। ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকার এই প্রকল্পে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক ও যাতায়াত ব্যবস্থায় বিপ্লব আনবে বলে আশা করা হচ্ছে। প্রকল্প পরিচালক আহসান জাবির জানান, ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষে দ্রুত জমি অধিগ্রহণ ও নির্মাণ কাজ শুরু হবে
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়নে নতুন যুগের সূচনা করতে বাংলাদেশ সরকার মাগুরা-ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ রেলসংযোগ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু করেছে। এই প্রকল্পকে ভবিষ্যতের গেম-চেঞ্জার হিসেবে আশা করা হচ্ছে, যা মোংলা বন্দর ও দর্শনা স্থলবন্দরের সুবিধা সরাসরি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জনগণকে পৌঁছে দেবে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **১০ কোটি ১৭ লাখ টাকার** ব্যয়ে মাগুরা-ঝিনাইদহ-দর্শনা রেলসংযোগের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু হয়েছে।
- 📌 **২০২৬ সালের আগস্ট থেকে ২০২৮ সালের জানুয়ারি** পর্যন্ত সমীক্ষা ও নকশা প্রণয়নের কাজ শেষ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
- 📌 **প্রকল্প পরিচালক আহসান জাবির** জানান, ফিজিবিলিটি স্টাডি শেষে **৩-৪ মাসের মধ্যে** জমি অধিগ্রহণ ও প্রকল্পের ডিপিপি প্রস্তাব করা হবে।
- 📌 **ব্রডগেজ রেললাইন** হিসেবে নির্মিত এই প্রকল্পে **দেশি প্রতিষ্ঠানকে প্রাধান্য** দেওয়ার কথা বলেছেন আহসান জাবির।
- 📌 **মাগুরা ও ঝিনাইদহ** জেলাকে সরাসরি কুষ্টিয়া পোড়াদহ ও চুয়াডাঙ্গা দর্শনা আন্তর্জাতিক রেললাইনের সাথে যুক্ত করবে প্রকল্পটি।
- 📌 **দর্শনা স্থলবন্দর ও মোংলা বন্দরের** পণ্য পরিবহনে এই রেলসংযোগ **অন্যতম প্রধান লাইফলাইন** হিসেবে কাজ করবে।
📰 বিস্তারিত
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের অবহেলিত জনপদকে অর্থনৈতিকভাবে উন্নত করতে এবং মোংলা বন্দর ও দর্শনা স্থলবন্দরের সুবিধা লুফে নিতে বাংলাদেশ সরকার মাগুরা-ঝিনাইদহ হয়ে দর্শনা-পোড়াদহ রেলসংযোগ প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা শুরু করেছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ রেলওয়ের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পের জন্য ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা ব্যয়ের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সরকারি তহবিল থেকে এই প্রকল্পের সম্পূর্ণ অর্থায়ন করা হবে।
প্রকল্প পরিচালক আহসান জাবির শেয়ার বিজকে জানান, ফিজিবিলিটি স্টাডি সম্পন্ন করতে বিশেষজ্ঞ নিয়োগের জন্য ইতোমধ্যে অনুমোদন পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান করা হবে। তবে ব্যয় রক্ষায় দেশি প্রতিষ্ঠানকে প্রাধান্য দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। আহসান জাবির আরও জানান, এই প্রকল্পের জন্য বিশেষজ্ঞদের অবশ্যই শিক্ষাগত যোগ্যতার পাশাপাশি **১০-১৫ বছরের মাঠে কাজ করার অভিজ্ঞতা** থাকতে হবে।
দর্শনা ল্যান্ড পোর্ট এবং কুষ্টিয়া-যশোর অঞ্চলের শিল্পপণ্য পরিবহনে এই রুটটি অন্যতম প্রধান লাইফলাইন হিসেবে কাজ করবে। মাগুরা ও ঝিনাইদহের কৃষি পণ্য সরাসরি ঢাকা বা মোংলা বন্দরে কম খরচে পৌঁছানো সম্ভব হবে। এছাড়া দর্শনা সেকশনটি ভারতের সঙ্গে রেল যোগাযোগের অন্যতম প্রধান রুট। এই নতুন সংযোগের ফলে আঞ্চলিক বাণিজ্য ও আন্তর্জাতিক ইমিগ্রেশন-প্যাসেঞ্জার ট্রেন চলাচলের ক্ষেত্রে মাগুরা ও ঝিনাইদহ সরাসরি সুফল পাবে।
"ওপেন টেন্ডারের মাধ্যমে ফিজিবিলিটি স্টাডি করার জন্য দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানকে দরপত্র জমা দেওয়ার আহ্বান করা হবে। ব্যয় রক্ষায় দেশি প্রতিষ্ঠানকে প্রাধান্য দেওয়া হবে।"
প্রকল্পের নথির তথ্য অনুযায়ী, মোট ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকার মধ্যে **৭৮৬ দশমিক ২৫ লাখ টাকা** মূল কনসালটেন্সি সেবায় খরচ ধরা হয়েছে। এছাড়া **৯০ লাখ টাকা** টপোগ্রাফিক ও ইউটিলিটি সার্ভে, **১০০ লাখ টাকা** সয়েল ইনভেস্টিগেশন, **৫০ লাখ টাকা** ট্রাফিক সার্ভে এবং **৮০ লাখ টাকা** পরিবেশগত ও হাইড্রোলজিক্যাল সমীক্ষায় ব্যয় হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মাগুরা, ঝিনাইদহ, দর্শনা, পোড়াদহ, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আহসান জাবির (প্রকল্প পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০ কোটি ১৭ লাখ টাকা (ব্যয়), ৭৮৬.২৫ লাখ টাকা (কনসালটেন্সি), ২০২৬-২০২৮ (সমীক্ষা সময়সীমা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!