📌 হাইকোর্ট পাঁচ জেলা শহর (বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম) এর পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। রেকর্ডভুক্ত পুকুরের তালিকা জমা দিতে এবং পুকুর সংরক্ষণে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেছে আদালত
হাইকোর্ট পাঁচটি জেলা শহরে পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে সাত সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে। বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল ও চট্টগ্রাম শহরে এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে এসব শহরে রেকর্ডভুক্ত পুকুরের পূর্ণাঙ্গ তালিকা তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। সোমবার (২৬ অক্টোবর) বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 পাঁচ জেলা শহর (বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম) এর পুকুর সংরক্ষণে মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।
- 📌 জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ১৫ দিনের মধ্যে সাত সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও পরিবেশ অধিদফতরের প্রতিনিধি থাকবেন।
- 📌 রেকর্ডভুক্ত পুকুরের তালিকা হলফনামায় তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে।
- 📌 পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছে আদালত।
- 📌 ২০০০ সালের জলাধার সংরক্ষণ আইনের ৬ ধারা ও ১৯৯৫ সালের পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের ৮ ধারা লঙ্ঘনকারী পুকুর ভরাটের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
সোমবার (২৬ অক্টোবর) হাইকোর্টের আদেশে পাঁচটি জেলা শহরে পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধের জন্য মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আদালতের আদেশ অনুযায়ী, জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারকে ১৫ দিনের মধ্যে নিজ নিজ জেলায় সাত সদস্যের মনিটরিং কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিটিতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন ও পরিবেশ অধিদফতরের প্রতিনিধি থাকবেন। কমিটির দায়িত্ব হবে রেকর্ডভুক্ত কোনো পুকুরে নতুন করে দখল বা ভরাট না হওয়ার নিশ্চয়তা প্রদান করা।
আদালতের আরেকটি নির্দেশ অনুযায়ী, পাঁচ জেলা শহরে সিএস ও আরএস রেকর্ড অনুযায়ী মোট কতটি পুকুর রয়েছে, তার তালিকা হলফনামায় তিন মাসের মধ্যে আদালতে জমা দিতে বলা হয়েছে। এছাড়া, পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে চার সপ্তাহের রুল জারি করেছে আদালত। রুলে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।
আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন পরিবেশ ও মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশের (এইচআরপিবি) প্রেসিডেন্ট ও জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ। তাকে সহায়তা করেন আইনজীবী নাসরিন সুলতানা। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল নূর মোহাম্মদ আজম এবং সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল এসএম ইমামুল মুশফিকুর।
"আদালত পুকুরের অবৈধ দখল ও ভরাট বন্ধে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে রুল জারি করেছে। এতে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তার কারণ জানতে চাওয়া হয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বগুড়া, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, চট্টগ্রাম (পাঁচ জেলা শহর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজী, বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ার, মনজিল মোরসেদ, নাসরিন সুলতানা, নূর মোহাম্মদ আজম, এসএম ইমামুল মুশফিকুর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি জেলা, ৭ সদস্যের মনিটরিং কমিটি, ১৫ দিনের মধ্যে কমিটি গঠন, ৩ মাসের মধ্যে পুকুর তালিকা জমা, ৪ সপ্তাহের রুল, ৬ ও ৮ ধারা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!