📅 ৫ নভেম্বর ২০২৬, ৪:৪৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে সার পাচার রোধ: কৃষিমন্ত্রী নিশ্চিত করেন দেশে কোনো সংকট নেই

সীমান্তে নজরদারি বাড়িয়ে সার পাচার রোধ: কৃষিমন্ত্রী নিশ্চিত করেন দেশে কোনো সংকট নেই

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সার পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি জানান, দেশে সার সংকট নেই, তবে সীমান্তবর্তী এলাকায় চাহিদা বেশি হওয়ায় সার বিতরণ ব্যবস্থা উন্নত করা হচ্ছে

সার পাচার রোধে সীমান্তে নজরদারি বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি সার সংকটের বিষয়ে নিশ্চিত করেছেন যে, দেশে কোনো সারের সংকট নেই। তবে সীমান্তবর্তী এলাকায় চাহিদা বেশি হওয়ায় সার বিতরণ ব্যবস্থা উন্নত করার জন্য নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 সীমান্তে নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে সার পাচার রোধে — মন্ত্রী বিজিবিকে অনুরোধ করেছেন।
  • 📌 দেশে সার সংকট নেই — বছরে ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদা পূরণ হচ্ছে।
  • 📌 সাময়িক সংকট কিছু এলাকায় দু-এক ধরনের সারের চাহিদা বেশি হওয়ায় দেখা যাচ্ছে।
  • 📌 ডিলার সংখ্যা বাড়ানো হচ্ছে — প্রতিটি ইউনিয়নে নতুন করে একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
  • 📌 রোপণ মৌসুমে সংকট থাকবে না — নতুন ডিলারদের মাধ্যমে সার বিতরণ শুরু হয়েছে।

📰 বিস্তারিত

সকালে রাজশাহীর গোদাগাড়ী উপজেলার সরমংলা ইকোপার্কে কৃষকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘দেশের সীমিত কিছু এলাকায় সারের সংকট হয়েছে। যে জেলাগুলোর পাশে সীমান্ত আছে এবং সীমান্তের ওপারেও চাষাবাদ হয়, ওই এলাকায় চাহিদাটা দেখা যাচ্ছে। তাই সার পাচার ঠেকাতে বিজিবিকে নজরদারি বাড়ানোর অনুরোধ করা হয়েছে।’ তিনি সতর্ক করেছেন, ‘কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি সার অপচয় কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।’

মন্ত্রী জানান, ‘দেশে ইউরিয়া সারের কোনো সংকট নেই। বছরে প্রায় ২৫ থেকে ২৭ লাখ টন ইউরিয়ার চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। তবে সরকার বেশি ভর্তুকি দিয়ে সরবরাহ করে এমন দু-এক ধরনের সারের চাহিদা কোনো কোনো এলাকায় বেশি থাকায় সাময়িক সমস্যা হয়েছে।’

সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ডিলার বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রী বলেন, ‘আগে প্রতিটি ইউনিয়নে দুজন করে সার ডিলার ছিলেন। কিন্তু আবাদ বেড়েছে। তাই প্রতিটি ইউনিয়নে আরও একজন করে ডিলার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাস থেকেই নতুন ডিলারদের মাধ্যমেও সার বিতরণ শুরু হয়েছে। নতুন ডিলারদের জন্য সার বরাদ্দও বাড়ানো হয়েছে। ফলে আগামী রোপণ মৌসুমে সারের সংকট থাকবে না বলে আমরা আশা করছি।’

মন্ত্রী আগে রাজশাহীর হরিপুর ইউনিয়নের কসবা এলাকায় কৃষক মোহাম্মদ নাজমুল করিম সুজনের লিচুবাগানে বস্তায় আদা চাষের পদ্ধতি পরিদর্শন করেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের রাজশাহী অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক ড. আজিজুর রহমান, উপপরিচালক মো. মোস্তফা কামাল, বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম খান প্রমুখ।

"কোনো অসাধু চক্র যেন সরকারি সার অপচয় কিংবা দেশের বাইরে পাচার করতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি বাড়ানো জরুরি।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: রাজশাহী (গোদাগাড়ী উপজেলা, সরমংলা ইকোপার্ক, হরিপুর ইউনিয়ন)
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৫-২৭ লাখ টন (ইউরিয়া সার)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖