📌 সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেছেন। সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন তাদের আইনি সহযোগিতা ও জীবনে ফিরে আসার আশ্বাস দিয়েছেন। পাবনা, রাজবাড়ী ও সিরাজগঞ্জ জেলার সদস্যরা অংশ নিয়েছেন এই অনুষ্ঠানে।
সিরাজগঞ্জ জেলার সলঙ্গায় আত্মসমর্পণ করেছেন ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য। রোববার (১ নভেম্বর) দুপুরে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ফোর্স-১২-এর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ অনুষ্ঠানে তারা আত্মসমর্পণ করেন। এই অনুষ্ঠানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এবং আত্মসমর্পণকারীদের জন্য আইনি সহযোগিতা ও জীবনে ফিরে আসার আশ্বাস দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য** আত্মসমর্পণ করেছেন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায়
- 📌 **পাবনা (৪৫ জন), রাজবাড়ী (১৩ জন) ও সিরাজগঞ্জ (৭ জন)** থেকে সদস্যরা অংশ নিয়েছেন
- 📌 **প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন** দেন আইনি সহযোগিতা ও ১৭ বছরের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস
- 📌 **৫ আগস্টের লুট হওয়া অস্ত্র** খোঁজার বিষয়েও প্রতিশ্রুতি দেন প্রতিমন্ত্রী
- 📌 **আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে** একজন বলেন, "অন্ধকার পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে খুব ভালো লাগছে"
📰 বিস্তারিত
রোববার দুপুরে সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) ফোর্স-১২-এর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে ৬৫ জন চরমপন্থী সদস্য আত্মসমর্পণ করেন। এসআরবি ফোর্স-১২-এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি মো. আতিকুর রহমান মিয়া সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন। তিনি বলেন, "আত্মসমর্পণকারীদের আইনি পরামর্শ দেওয়া হবে এবং তাদের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হবে।" তিনি আরও বলেন, "১৭ বছরের জটিলতা ও সমস্যার সমাধানের জন্য তাদের পাশে দাঁড়ানোর আশ্বাস দিচ্ছি।"
স্বাগত বক্তব্য দেন এসআরবি ফোর্স-১২-এর অধিনায়ক মো. আতিকুর রহমান মিয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম, এসআরবি ফোর্সেসের মহাপরিচালক অতিরিক্ত আইজিপি আহসান হাবীব পলাশ, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (অপারেশনস) কর্নেল ইফতেখার আহমেদ, রাজশাহী রেঞ্জের ডিআইজি মো. আশিক সাঈদ এবং রাজশাহীর অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) ও যুগ্ম সচিব শাহানা আখতার জাহান।
আত্মসমর্পণকারীদের মধ্যে একজন, মো. মাজেদ আলী মুন্সী বলেন, "অন্ধকারের পথ ছেড়ে আলোর পথে আসতে পেরে আজ খুব ভালো লাগছে।" আরেকজন আত্মসমর্পণকারী পাবনার বাবু মিয়া ওরফে আইনুল হোসেন বলেন, "ভুল পথে চলতে গিয়ে আমি ১৫ বছর হারিয়ে ফেলেছি। আমার সঙ্গীরা প্রায়ই বলতেন, অনেক দিন ধরে বাড়িতে যাওয়া হয় না।"
"আমি একসময় বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়াতাম। প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র না পেয়ে অনেকেই দস্যুবৃত্তিতে জড়িয়ে পড়তেন।"
— আলমগীর নামের আরেক আত্মসমর্পণকারী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা, সলঙ্গা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন, মো. মাজেদ আলী মুন্সী, আইনুল হোসেন, মো. আমিরুল ইসলাম খান আলিম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬৫ জন আত্মসমর্পণকারী, ৪৫ জন পাবনা থেকে, ১৩ জন রাজবাড়ী থেকে, ৭ জন সিরাজগঞ্জ থেকে
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!