📌 সিরাজগঞ্জে জুলাই-আগস্ট মাসে ২৭টি অভিযানে ৫৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনিয়মের মধ্যে ছিল পণ্যের লেবেলের অভাব, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য না থাকা ও বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া পণ্য উৎপাদন
সিরাজগঞ্জ জেলায় জুলাই ও আগস্ট মাসে ২৭টি অভিযানে ৫৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর এই অভিযান চালিয়ে পণ্যের মান, লেবেল ও অনুমোদন বিষয়ে অনিয়মের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা করা হয়েছে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা।
- 📌 ২৭টি অভিযান পরিচালিত হয়েছে ৯টি উপজেলায়, যার মধ্যে সদর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ ও শাহজাদপুরে বেশি।
- 📌 অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ডিম, ভোজ্যতেল, বেকারি পণ্য, শিশু খাদ্য, দুধ ও কীটনাশকসহ বিভিন্ন পণ্যের অনিয়ম পাওয়া গেছে।
- 📌 পণ্যের লেবেলের অভাব, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা না থাকা ও বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া পণ্য উৎপাদনের মতো অনিয়ম উঠে এসেছে।
- 📌 মো. সোহেল শেখ বলেছেন, ভোক্তারা ক্রয়কালে পণ্যের লেবেল, উৎপাদন তারিখ ও অনুমোদন চেক করতে পারেন।
- 📌 গোলাম কিবরিয়া বলেছেন, অধিদপ্তরের জনবল বাড়াতে হবে এবং ভোক্তাদের সচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে।
📰 বিস্তারিত
সিরাজগঞ্জ জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর গত জুলাই ও আগস্ট মাসে ৯টি উপজেলায় ২৭টি অভিযান পরিচালনা করে। এই অভিযানে ৫৪টি প্রতিষ্ঠানকে মোট ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অভিযানে বিভিন্ন পণ্যের মান, লেবেল, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও বিএসটিআই অনুমোদন না থাকার মতো অনিয়ম পাওয়া গেছে।
অভিযানে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য, ডিম, ভোজ্যতেল, বেকারি ও লাইভ বেকারি পণ্য, কনফেকশনারি, শিশু খাদ্য, দুধ ও দুগ্ধজাত পণ্য, মিষ্টি, দই, ঘি, চিজ, ঘোল, কীটনাশক ও সার বিক্রির প্রতিষ্ঠান এবং মহাসড়কের রেস্তোরাঁয় অনিয়ম পাওয়া গেছে। বিশেষ করে পণ্যের গায়ে প্রয়োজনীয় তথ্য না থাকা, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম ও ঠিকানা উল্লেখ না করা এবং বিএসটিআই অনুমোদন ছাড়া পণ্য উৎপাদনের মতো বিষয় উঠে এসেছে।
জেলা ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক মো. সোহেল শেখ বলেছেন, “ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পণ্য ক্রয়ের সময় লেবেল, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন আছে কি না, তা দেখে ক্রয় করা উচিত। এতে প্রতারণা কমবে এবং অনিয়মকারী ব্যবসায়ীরাও সতর্ক হবে।”
দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির কামারখন্দ উপজেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া বলেছেন, “ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের কার্যক্রম সম্পর্কে মানুষকে আগে সচেতন করতে হবে। এ জন্য প্রচারণা বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে অধিদপ্তরের জনবল বাড়ানো উচিত, যাতে সাধারণ মানুষ অভিযোগ করলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া যায়। বর্তমানে যতটুকু অভিযান পরিচালিত হচ্ছে, তা যথেষ্ট নয়।”
"ভোক্তাদের স্বার্থ রক্ষায় নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। পণ্য ক্রয়ের সময় লেবেল, উৎপাদনের তারিখ, মেয়াদ, উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম-ঠিকানা এবং প্রয়োজনীয় অনুমোদন আছে কি না, তা দেখে ক্রয় করা উচিত।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সিরাজগঞ্জ জেলা (৯টি উপজেলা: সদর, উল্লাপাড়া, রায়গঞ্জ, শাহজাদপুর)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. সোহেল শেখ (সহকারী পরিচালক), গোলাম কিবরিয়া (সাধারণ সম্পাদক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৪ প্রতিষ্ঠান, ৭ লাখ ৬৬ হাজার ২৫০ টাকা, ২৭টি অভিযান
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!