📌 কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল-শিবিরের মধ্যে উত্তেজনায় উত্তেজিত হয়ে ছাত্রদল নেতাকে থাপ্পড় মারার ঘটনায় দু’পক্ষের মধ্যে লাঠিচার্জ ও বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে বিক্ষোভ করা হয়
কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে উত্তেজনায় উত্তেজিত হয়ে দু’পক্ষের মধ্যে লাঠিচার্জ ও বিক্ষোভে পরিণত হয়েছে। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুর পৌনে ২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ জিয়াউর রহমান হলে ছাত্রদল নেতা আলীনূর রহমান শিবির নেতা কাজী জুহায়ের হোসেনকে থাপ্পড় মারার ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক বন্ধ করে বিক্ষোভ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৫ সেপ্টেম্বর দুপুর পৌনে ২টায় ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদল নেতা আলীনূর রহমান শিবির নেতা কাজী জুহায়ের হোসেনকে থাপ্পড় মারেন।
- 📌 ঘটনায় উত্তেজিত হয়ে শিবির নেতাকর্মীরা আলীনূরের কক্ষের জানালা ভাঙচুর করেন এবং প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সাথে উত্তেজনায় জড়িয়ে পড়েন।
- 📌 প্রক্টরিয়াল বডির নেতৃত্বে আলীনূরকে আনতে গেলে শিবির কর্মীদের উত্তেজনায় তাকে বের করতে না পারলে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ সভা ত্যাগ করেন।
- 📌 পুলিশী সহায়তায় আলীনূরকে প্রক্টরিয়াল বডির গাড়িতে নিতে গেলে শিবিরকর্মীরা তার ওপর চড়াও হয়ে কিলঘুষি মারেন এবং গাড়ির কাঁচ ভেঙে ফেলেন।
- 📌 বিকেল চারটার দিকে ছাত্রদল প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করে এবং রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে বিক্ষোভকারীরা মহড়া দেন।
- 📌 সাড়ে চারটার দিকে ছাত্রদল প্রধান ফটক খুলে দেয়, কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে বিক্ষোভকারীরা দেশীয় অস্ত্র হাতে অবস্থান নেন।
- 📌 শিবির কর্মীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন হল ও আজিজ হল পকেট গেটে অবস্থান নেন।
📰 বিস্তারিত
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) শাখা ছাত্রশিবিরের জিয়া হল সেক্রেটারি কাজী জুহায়ের হোসেনকে শাখা ছাত্রদলের সদস্য আলীনূর রহমান থাপ্পড় মারার ঘটনায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। জুহায়ের বিশ্ববিদ্যালয়ের দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী, আর আলীনূর আরবি বিভাগের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনায় জড়িতদের মধ্যে উত্তেজনা বাড়ার সাথে সাথে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যদের সাথে আলোচনা চলাকালীন উত্তেজনা বাড়ে।
শিবির নেতাকর্মীরা আলীনূরের কক্ষের জানালা ভাঙচুর করে এবং সেখানে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের সাথে বাগ্বিতণ্ডা হয়। পরে প্রক্টরিয়াল বডির সদস্যরা আলীনূরকে রুম থেকে আনতে যান। শিবির কর্মীদের উত্তেজনায় তাকে বের করতে না পারলে ছাত্রদলের নেতৃবৃন্দ সভা ত্যাগ করেন। বের হতে গেলে উভয়পক্ষের মধ্যে ফের উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। পরে আলীনূরকে পুলিশী সহায়তায় প্রক্টরিয়াল বডির গাড়িতে নিতে গেলে শিবিরকর্মীরা তার ওপর চড়াও হয়ে কিলঘুষি মারেন এবং গাড়ির কাঁচ ভেঙে ফেলেন।
এ ঘটনার পরপরই বিকেল চারটার দিকে ছাত্রদল প্রধান ফটক আটকে বিক্ষোভ করে। সেখানে রামদাসহ দেশীয় অস্ত্র হাতে বহিরাগতদের মহড়া দিতে দেখা যায়। একইসঙ্গে, ছাত্রশিবিরের নেতাকর্মীরা লাঠিসোঁটা নিয়ে জিয়া মোড়ে অবস্থান নেন। সাড়ে চারটার দিকে ছাত্রদল প্রধান ফটক খুলে দেয়, কিন্তু সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার মধ্যে খুলনা-কুষ্টিয়া মহাসড়কে বিক্ষোভকারীরা দেশীয় অস্ত্র হাতে অবস্থান নেন। একইসঙ্গে, বিশ্ববিদ্যালয়ের লালন হল পকেট গেট ও আজিজ হল পকেট গেটে অবস্থান নেয় স্থানীয় জামায়াত ও শিবিরকর্মীরা।
"আমি পরীক্ষা শেষে এক বন্ধুর সঙ্গে হলে যাচ্ছিলাম। এ সময় আলীনূর আচমকা এসে আমাকে থাপ্পড় মারেন। পূর্বে তার সঙ্গে আমার কোনো বিরোধও ছিল না। কেন আমাকে মারলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'তুই বেয়াদব, তাই মেরেছি। আমার ইচ্ছা হয়েছে, তাই মেরেছি।'"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী জুহায়ের হোসেন, আলীনূর রহমান, শাখা ছাত্রশিবির সভাপতি ইউসুফ আলী, শাখা ছাত্রদল আহ্বায়ক মাসুদ রুমী মিথুন, প্রক্টর অধ্যাপক ড. শাহীনুজ্জামান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ সেপ্টেম্বর, দুপুর পৌনে ২টা, ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!