📌 বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে ভোগান্তিতে পড়া সাধারণ মানুষ ও শিল্প মালিকদের কাছে দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি অতীত সরকারের উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়া সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলেছেন এবং অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন
বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে কষ্ট পাচ্ছে সাধারণ মানুষ ও শিল্প মালিকদের কাছে দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন, সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়া সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করছে এবং অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করার বিরুদ্ধে সতর্ক করেছেন। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটে জনগণের কাছে দুঃখ প্রকাশ**: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, “বাংলাদেশের মানুষ বর্তমানে বিদ্যুত ও জ্বালানি সংকটে কষ্ট পাচ্ছে—সরকার তা অস্বীকার করছে না”।
- 📌 **উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়া সমস্যা**: তিনি স্বৈরাচারী সরকারের রেখে যাওয়া সমস্যা সমাধানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা গ্রহণের কথা বলেছেন।
- 📌 **অরাজকতা সৃষ্টির বিরুদ্ধে সতর্কতা**: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, “কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তি ছড়িয়ে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন”।
- 📌 **গুপ্তবেশে লুকিয়ে থাকা রাজনৈতিক দলের অভিযোগ**: তিনি বলেছেন, “স্বৈরাচারের সময় গুপ্তবেশে লুকিয়ে থাকা দলের লোকেরা আবার স্বৈরাচারকে সামনে নিয়ে আসার চেষ্টা করছে”।
- 📌 **গণতন্ত্রের ধারা সমুন্নত রাখার প্রতিশ্রুতি**: প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, সরকার গণতন্ত্রের ধারাকে সমুন্নত রাখবে এবং আইনের মাধ্যমে অরাজকতা নিয়ন্ত্রণ করা হবে।
📰 বিস্তারিত
বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন। তিনি বলেন, “দেশের মানুষ বর্তমানে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকটে কষ্ট পাচ্ছে—সরকার তা অস্বীকার করছে না। তবে অতীত সরকারের রেখে যাওয়া সংকটকে অজুহাত হিসেবে দেখিয়ে দায় এড়াতে চান না তারা।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গতকাল থেকে সরকার লক্ষ্য করছে, স্বৈরাচারী আমল কিংবা অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের রেখে যাওয়া বিভিন্ন সমস্যা উত্তরাধিকারসূত্রে পেয়েছেন। এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা চলছে। কিন্তু এসব সমস্যাগুলোকে পুঁজি করে কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছেন এবং বিভ্রান্তি তৈরির মাধ্যমে দেশে অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছেন।”
তিনি আরও বলেন, “স্বৈরাচারের সময় আমরা দেখেছি, একটি রাজনৈতিক দল গুপ্তবেশ ধারণ করেছিল। তারা স্বৈরাচারের ভেতরে গুপ্তভাবে লুকিয়েছিল। পরবর্তীতে তাদের নিজেদের লোকজনই বেরিয়ে এসে নিজেরাই স্বীকার করেছে। বর্তমানে কিছু রাজনৈতিক দল বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে। এই বিভ্রান্তির মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ যে স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে, তারাও অরাজকতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে।”
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সরকার হিসেবে এবং জনগণের দ্বারা নির্বাচিত সরকার হিসেবে পরিষ্কারভাবে বলতে চাই—প্রত্যেকে প্রত্যেকের সীমার মধ্যে থাকা দরকার। স্বৈরাচারের গুপ্তদের অরাজকতা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করলে সরকার আইনের মাধ্যমে তা নিয়ন্ত্রণ করবে।”
"আজকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল এই মুহূর্তে দেশ পরিচালনার দায়িত্বে আছে, আজকে বহু মানুষ, বহু শিল্প-কলকারখানার মালিকসহ সাধারণ বহু মানুষ যে বিদ্যুতের কষ্টে বা জ্বালানি কষ্টে আছেন, তাদের সকলের কাছে আমি দলের পক্ষ থেকে দুঃখ প্রকাশ করছি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তন
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী, ৫ সেপ্টেম্বর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!