📅 ৩০ আগস্ট ২০২৬, ৩:৪১ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শরীয়তপুরে সাংবাদিক মারধরের ঘটনা: যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিএনপির পাল্টা দাবি

শরীয়তপুরে সাংবাদিক মারধরের ঘটনা: যুবদল নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও বিএনপির পাল্টা দাবি

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিন সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে যুবদল নেতা আরিফুজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিকরা বিক্ষোভ করেছেন। বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রতিবাদই হামলার কারণ

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিন সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লার নেতৃত্বে তাঁর সমর্থকেরা ওই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 তিন সাংবাদিককে মারধরের অভিযোগ যুবদল নেতা আরিফুজ্জামান মোল্লার বিরুদ্ধে
  • 📌 ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা হলেন জাহিদ হাসান, বিধান মজুমদার ও বরকত মোল্লা
  • 📌 ঘটনার সময় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিএনপির বিক্ষোভ সমাবেশ চলছিল
  • 📌 বিএনপি নেতারা দাবি করেছেন, জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে সাংবাদিকদের প্রতিবাদই হামলার কারণ

📰 বিস্তারিত

শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বরে তিন সাংবাদিককে মারধরের ঘটনা ঘটেছে। জেলা যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লার নেতৃত্বে তাঁর সমর্থকেরা ওই হামলা চালিয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী সাংবাদিকেরা। ঘটনাটি ঘটে গত মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসকের কার্যালয় প্রাঙ্গণে।

হামলার শিকার সাংবাদিকেরা হলেন ডেইলি স্টারের সাংবাদিক জাহিদ হাসান, নিউজ টুয়েন্টিফোর টেলিভিশন ও জাগো নিউজের জেলা প্রতিনিধি বিধান মজুমদার এবং মানবকণ্ঠের জেলা প্রতিনিধি বরকত মোল্লা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে গিয়ে তাঁরা মারধরের শিকার হন। স্থানীয় কয়েকজন আইনজীবী তাঁদের উদ্ধার করে নিজেদের কার্যালয়ে নিয়ে যান।

আহত সাংবাদিক জাহিদ হাসান জানান, তিনি পেশাগত দায়িত্ব পালনের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে যান। সেখানে একটি বিক্ষোভ মিছিল চলছিল। তিনি মিছিলের ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় যুবদল নেতা আরিফ মোল্লা তাঁর সহযোগীদের নিয়ে তাঁকে মারধর করেন। তাঁরা তাঁর ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টাও করেন।

সাংবাদিক বিধান মজুমদার বলেন, তিনি তথ্য সংগ্রহের জন্য জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান। ভবনের নিচতলা থেকে দোতলায় যাওয়ার সময় যুবদলের নেতা আরিফ মোল্লা ও তাঁর সহযোগীরা তাঁকে চড়-থাপ্পড় ও লাথি মেরে ভবন থেকে বের করে দেন। তিনি জানান, তিনি তাঁদের বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবেন।

‘পেশাগত দায়িত্ব পালন করার জন্য আমি জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে যাই। সেখানে একটি বিক্ষোভ মিছিল হচ্ছিল। ওই মিছিলের ছবি ও ভিডিও ধারণ করার সময় যুবদল নেতা আরিফ মোল্লা তাঁর সহযোগীদের নিয়ে আমাকে মারধর করেছেন।’

তিন সাংবাদিককে মারধরের বিষয়ে জানতে যুবদলের সাবেক সভাপতি আরিফুজ্জামান মোল্লাকে কয়েক দফা ফোন করা হয়। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

এর আগে গত শনিবার রাতে শরীয়তপুর জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে প্রেসক্লাবের সীমানাপ্রাচীরের তিনটি দেয়াল ভেঙে দেওয়া হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদে সাংবাদিক বি এম ইসরাফিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে প্রেসক্লাব সভাপতি আবুল হোসেন ও জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগমের ছবি দিয়ে প্রতিবাদ করেন। ওই ঘটনার জেরে তাঁর ওপর হামলার ঘটনা ঘটে। তাতে তাঁর ডান হাতের কবজি ভেঙে যায়।

সাংবাদিক ইসরাফিলের ওপর হামলা ও প্রেসক্লাবের সীমানাপ্রাচীর ভেঙে ফেলার প্রতিবাদে শরীয়তপুরে কর্মরত সাংবাদিকেরা গত রোববার বিকেলে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেন। কর্মসূচি চলাকালে জেলা প্রশাসক তাহসিনা বেগম সেখান দিয়ে যেতে চাইলে সাংবাদিকেরা তাঁকে ঘিরে রাখেন। এ সময় সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবি করে বিক্ষোভ করতে থাকেন।

ওই ঘটনায় শরীয়তপুরের বিএনপির একটি পক্ষ সাংবাদিকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়। বিএনপির কর্মীরা শরীয়তপুর প্রেসক্লাব ও কয়েকজন সাংবাদিকের উদ্দেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সমালোচনা করেন। তাঁরা সভা করে সাংবাদিকদের বিপক্ষে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করার সিদ্ধান্ত নেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে গত মঙ্গলবার জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে কয়েক শ মানুষ কর্মসূচিতে অংশ নেন।

বিএনপির পক্ষে করা ওই বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য দেন শরীয়তপুর জেলা বিএনপির সহসভাপতি শাহ মোহাম্মদ আবদুস সালাম, সদর উপজেলা বিএনপির সভাপতি সিরাজুল হক মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব মোর্শেদ প্রমুখ। বিএনপি নেতারা দাবি করেন, জেলা প্রশাসক সরকারের প্রতিনিধি। তাঁর গাড়ি ঘিরে সাংবাদিকেরা মব সৃষ্টি করেছেন। সাংবাদিকেরা সন্ত্রাসী আচরণ করে জেলা প্রশাসকের প্রত্যাহার দাবি করেছেন। সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছিলেন।

‘সাংবাদিকেরা জেলা প্রশাসকের সঙ্গে অন্যায় আচরণ করেছেন। তাঁরা এভাবে তাঁর প্রত্যাহার চাইতে পারেন না। সাংবাদিকতার আড়ালে কিছু সন্ত্রাসী ও ফ্যাসিবাদের দোসররা বিএনপি সরকারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার জন্য এমন করেছে।’

শাহ মোহাম্মদ আবদুস সালাম আরও বলেন, ‘আমরা প্রতিবাদ সমাবেশ করেছি। সেখানে কোনো সাংবাদিক নিগৃহীত বা মারধরের শিকার হয়েছেন কি না, তা আমার জানা নেই।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শরীয়তপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয় চত্বর
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আরিফুজ্জামান মোল্লা, জাহিদ হাসান, বিধান মজুমদার, বরকত মোল্লা
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিনজন সাংবাদিক

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖