📌 সিলেটের শাহজালাল মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা চতুর্থ দফায় গণনা শুরু হয়েছে। সর্বশেষ তৃতীয় দফায় পৌনে এক কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল। জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকেন। মাজারের আর্থিক স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে
সিলেটের হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.) মাজারের ঐতিহাসিক ডেগ ও নতুন দানবাক্সের টাকা চতুর্থ দফায় গণনা শুরু হয়েছে। আজ শনিবার সকাল ৯টায় জেলা প্রশাসক আবদুল্লাহ আল মামুনসহ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মাজার প্রাঙ্গণে এই গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু হয়। স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, টাকা গণনার কাজ সন্ধ্যা পর্যন্ত হতে পারে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 শাহজালাল মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা চতুর্থ দফায় গণনা শুরু হয়েছে শনিবার সকাল ৯টায়
- 📌 সর্বশেষ তৃতীয় দফায় (১৫ আগস্ট) পৌনে এক কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল, যার মধ্যে ছিল বাংলাদেশি টাকা পাশাপাশি পাউন্ড, ডলার, রিয়াল, রুপি ও দিরহামসহ বিভিন্ন মুদ্রা
- 📌 প্রথম দফায় (২২ জুন) ১৭ লাখ টাকা, দ্বিতীয় দফায় (১১ জুলাই) প্রায় অর্ধকোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল
- 📌 মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে ১৩ সদস্যের কমিটি গঠিত হয়েছে, যার তত্ত্বাবধানে গণনা চলছে
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. সারওয়ার আলমের উদ্যোগে ১২ জুন মাজারের ডেগ ও দানবাক্স সিলগালা করা হয়
- 📌 সারওয়ার আলমকে জেলা প্রশাসকের পদ থেকে প্রত্যাহার করা হয় তার এই উদ্যোগের কারণে
📰 বিস্তারিত
সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী প্রথম আলোকে জানান, গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হিসাব জানানো হবে। তিনি মাজারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা ও সার্বিক পরিচালনার স্বচ্ছতা আনতে গঠিত ১৩ সদস্যের কমিটির সদস্য। বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরের উদ্যোগে গত ২৬ জুন সিলেট সার্কিট হাউসে অনুষ্ঠিত সভায় এই কমিটি গঠিত হয়।
সূত্রে জানা যায়, গত ২২ জুন প্রথম দফায় মাজারের ডেগ ও দানবাক্সের টাকা গণনা করে প্রায় ১৭ লাখ টাকা পাওয়া যায়। এসব টাকা ছিল চার দিনের দান। এরপর ১১ জুলাই দ্বিতীয় দফায় প্রায় অর্ধকোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল। এসব টাকা জেলা প্রশাসকের ব্যবস্থাপনায় নতুন করে চালু করা একটি ব্যাংক হিসাবে জমা রাখা হয়েছে।
তৃতীয় দফায় (১৫ আগস্ট) প্রায় পৌনে এক কোটি টাকা পাওয়া গিয়েছিল। তখন বাংলাদেশি টাকার পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের মুদ্রাও পাওয়া যায়। স্থানীয় প্রশাসন ও মাজার কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, এই উদ্যোগের পক্ষে-বিপক্ষে আলোচনা-সমালোচনা চলছিল। কেউ এ উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার প্রশাসনের ব্যবস্থাপনায় নতুন দানবাক্স স্থাপনের বিষয়ে অনেকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।
"গণনা শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে হিসাব জানানো হবে"
— আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শাহজালাল মাজার, সিলেট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল্লাহ আল মামুন (জেলা প্রশাসক), আবদুল কাইয়ুম চৌধুরী (সিটি করপোরেশন প্রশাসক), খন্দকার আবদুল মুক্তাদির (বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১ কোটি টাকা (পৌনে), ১৩ সদস্য (কমিটি), ১৭ লাখ টাকা, ১৫ আগস্ট (তৃতীয় দফা), ২২ জুন (প্রথম দফা), ১১ জুলাই (দ্বিতীয় দফা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!