📅 ৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:২৫ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক ২০২৭ সালের জুনে খুলতে পারে: ডিএসসিসি প্রশাসক

শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক ২০২৭ সালের জুনে খুলতে পারে: ডিএসসিসি প্রশাসক

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 ঢাকার শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক প্রায় আট বছর ধরে বন্ধ রয়েছে। ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম জানান, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পার্কটি আধুনিকায়িত করে খোলার পরিকল্পনা রয়েছে। বর্তমানে কাজের অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ

ঢাকার শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক প্রায় আট বছর ধরে বন্ধ থাকার পর বর্তমান সরকারের উদ্যোগে আধুনিকায়নের কাজ চলছে। ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম জানান, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পার্কটি সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে। তবে প্রকল্পের মূল মেয়াদ ইতিমধ্যে শেষ হয়ে গেছে এবং বর্তমানে কাজের ভৌত অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্ক ২০১৯ সালের জানুয়ারি থেকে বন্ধ রয়েছে
  • 📌 ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম বলেছেন, ২০২৭ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত পার্কটি খোলার পরিকল্পনা রয়েছে
  • 📌 বর্তমানে কাজের অগ্রগতি মাত্র ৩০ শতাংশ, ১৫টি রাইড ক্রয়ের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে
  • 📌 ১৫টি রাইডের খরচ প্রায় ৪৪১ কোটি টাকা, যা প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ
  • 📌 প্রকল্পের মোট ব্যয় ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যার মধ্যে ৪৮৩ কোটি টাকা সরকারি তহবিল এবং ১২০ কোটি টাকা ডিএসসিসির নিজস্ব তহবিল
  • 📌 পার্কের ১৫ একর জায়গায় অবস্থিত, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে স্বাধীনতাস্তম্ভ নির্মাণের সময় ভূগর্ভস্থ গাড়ি পার্কিং নির্মাণের কারণে বন্ধ হয়ে যায়

📰 বিস্তারিত

শাহবাগের শহীদ জিয়া শিশুপার্কের আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় ১৫টি অত্যাধুনিক রাইড ক্রয়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই রাইডগুলো প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ নিয়ে রয়েছে। ডিএসসিসির প্রশাসক মো. আবদুস সালাম বলেন, ‘আমরা আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা শিশুদের একটি আধুনিক পার্ক উপহার দিতে পারব।’

২০২৩ সালের আগস্টে প্রকল্পটি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় অনুমোদন পায়। প্রকল্পের বাস্তবায়নকাল ছিল ২০২৩ সালের জুলাই থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত। তবে প্রকল্পের মোট ব্যয়ের মধ্যে ৪৮৩ কোটি টাকা সরকারি তহবিল এবং ১২০ কোটি টাকা ডিএসসিসির নিজস্ব তহবিল থেকে দেওয়া হবে। প্রকল্পের সবচেয়ে বড় ব্যয় বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১৫টি রাইড কেনা ও স্থাপনের জন্য, যা প্রায় ৪৪১ কোটি টাকা।

আজ রোববার বিকেলে শিশুপার্ক প্রকল্প এলাকায় পূবালী ব্যাংক পিএলসির ‘শিশুপার্ক শাখা’র উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ডিএসসিসির প্রশাসক আবদুস সালাম ঢাকা শহরকে ‘ক্লিন সিটি, গ্রিন সিটি’ হিসেবে গড়ে তুলতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল থেকে পরিচ্ছন্নতা, সৌন্দর্যবর্ধন ও বৃক্ষরোপণে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি ডেঙ্গু প্রতিরোধে বাসাবাড়ি ও আশপাশ পরিষ্কার রাখা এবং কোথাও তিন দিনের বেশি পানি জমতে না দেওয়ারও আহ্বান জানান।

"বর্তমানে প্রকল্পের ভৌত অগ্রগতি ৩০ শতাংশ। শিশুদের বিনোদনের জন্য ১৫টি অত্যাধুনিক রাইড ক্রয়ের লক্ষ্যে ইতিমধ্যে আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করা হয়েছে। এই রাইডগুলোই পুরো প্রকল্পের প্রায় ৭৫ শতাংশ কাজ। আশা করি, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই আমরা শিশুদের একটি আধুনিক পার্ক উপহার দিতে পারব।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: শাহবাগ, ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. আবদুস সালাম (ডিএসসিসি প্রশাসক)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ শতাংশ (কাজের অগ্রগতি), ১৫টি (রাইড), ৭৫ শতাংশ (রাইডের অংশ), ৬০৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা (মোট ব্যয়), ৪৪১ কোটি টাকা (রাইডের খরচ)

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖