📌 সাভারে নিষিদ্ধঘোষিত নব্য জেএমবির সদস্যদের ব্যাগে বোমা বহনের ঘটনা উদঘাটন করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। যোগাযোগে ‘প্রটেকটেড টেক্স’ ও অর্থ লেনদেনে ‘ইলিমেন্ট’ অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য মিলেছে। গ্রেপ্তার আরিফের কাছ থেকে পাঁচটি বোমা ও বিপুল বিস্ফোরক উদ্ধার
সাভারে একাধিক বোমা ও বিস্ফোরক উদ্ধারের ঘটনায় নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন নব্য জেএমবির সদস্যদের যোগাযোগ ও অর্থ লেনদেনের নতুন তথ্য উদঘাটন করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। গ্রেপ্তার এক সদস্যের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যে তাঁদের চলাফেরা, বোমা বহন ও হামলার কৌশল সম্পর্কেও নতুন তথ্য মিলেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গ্রেপ্তার মোহাম্মদ আরিফের কাছ থেকে পাঁচটি বোমা ও তিনটি ছুরিসদৃশ বোমা উদ্ধার
- 📌 যোগাযোগে ‘প্রটেকটেড টেক্স’ বা পিটি নামে ওয়েবসাইট এবং অর্থ লেনদেনে ‘ইলিমেন্ট’ অ্যাপ ব্যবহারের তথ্য মিলেছে
- 📌 গ্রেপ্তার আরিফসহ সদস্যদের ব্যাগে বোমা, অস্ত্র ও ছুরি বহনের অভিযোগ
- 📌 সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর থেকে ১১টি পাইপবোমাসহ বিপুল বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার
- 📌 মতিঝিল মেট্রোরেল স্টেশন ও আশুলিয়ার ঘটনায় একই ধরনের বিস্ফোরক ব্যবহারের তথ্য
📰 বিস্তারিত
সাভারের হেমায়েতপুর থেকে গত মঙ্গলবার দুপুরে নব্য জেএমবির সদস্য মোহাম্মদ আরিফকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁর কাছ থেকে একটি ব্যাগ থেকে পাঁচটি বোমা ও তিনটি ছুরিসদৃশ বোমা উদ্ধার করা হয়। এসব বোমা জিআই পাইপের মধ্যে তৈরি করা হয়েছিল। এ ছাড়া তাঁর কাছ থেকে বোমা তৈরির বিভিন্ন সরঞ্জামও উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানায় পুলিশ।
গ্রেপ্তার আরিফের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাতে সাভারের দক্ষিণ শ্যামপুর এলাকায় তিনতলা একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে ১১টি পাইপবোমাসহ বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্ত্রাসবিরোধী আইনে সাভার থানায় আরিফসহ ছয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করা হয়।
সিটিটিসির কর্মকর্তারা জানান, ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার হওয়া পাইপবোমাগুলোর ধরন ও উপাদান নতুন বলে মনে হয়েছে। সেগুলোর ধরন ও উপাদান শনাক্ত করতে রাসায়নিক পরীক্ষা করা হচ্ছে। পরদিন বুধবার সাভারের সাধাপুর এলাকায় একটি মসজিদের মাঠে নীল রঙের প্লাস্টিকের ড্রামে স্কচ টেপে মোড়ানো একটি ‘প্রেশার কুকার’ বোমা উদ্ধার করা হয়। পরে ঢাকা থেকে সিটিটিসির বোমা নিষ্ক্রিয়কারী ইউনিট ঘটনাস্থলে গিয়ে বোমাটি নিষ্ক্রিয় করে।
"তাঁরা নিজেদের মধ্যে যোগাযোগের জন্য ‘প্রটেকটেড টেক্স’ বা পিটি নামে একটি ওয়েবসাইট এবং টাকা লেনদেনের জন্য ‘ইলিমেন্ট’ নামে একটি অ্যাপ ব্যবহার করতেন।"
তদন্ত-সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেপ্তার আরিফসহ সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোতে যাঁদের নাম এসেছে, তাঁদের চলাফেরার ধরনেও মিল পাওয়া যাচ্ছে। তাঁরা সাধারণত পিঠে ব্যাগ নিয়ে চলাফেরা করেন। ওই ব্যাগে বোমা, অস্ত্র, ছুরি ও চাপাতি রাখা হয়। কোথাও তল্লাশির মুখে পড়লে এসব অস্ত্র বা বোমা দিয়ে তাৎক্ষণিক হামলা চালিয়ে পালিয়ে যান তাঁরা।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সাভার, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোহাম্মদ আরিফ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি বোমা, ১১টি পাইপবোমা, ৩টি ছুরিসদৃশ বোমা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!