📅 ১৯ আগস্ট ২০২৬, ৮:২২ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনজীবন: প্রশাসনের পদক্ষেপে অনিশ্চয়তা

সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত জনজীবন: প্রশাসনের পদক্ষেপে অনিশ্চয়তা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 সাতক্ষীরার আশাশুনিতে মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে স্থানীয়দের ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিপন্ন। স্থানীয়রা জানান, খননের পর নদীর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। প্রশাসন থেকে সামান্য সহায়তা এলেও স্থায়ী সমাধান না থাকায় অনিশ্চয়তায় রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলায় মরিচ্চাপ নদীর ভাঙনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন স্থানীয়রা। প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত চাপড়া সেতুর কাছাকাছি এলাকায় ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়। সেতুর এক পাশে চাপড়া গ্রাম, অন্য পাশে আশাশুনি উপজেলা সদর। স্থানীয়দের বক্তব্য অনুযায়ী, নদীর খননের পর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন তীব্রতর হয়েছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত মরিচ্চাপ নদীর পাড়ে ভাঙনের ভয়াবহ চিত্র দেখা যায়
  • 📌 স্থানীয় বাসিন্দা মিনারা বেগমের তিনটি ঘর গত এক বছরে নদীতে বিলীন হয়েছে
  • 📌 নদী খননের পর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন তীব্রতর হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান
  • 📌 ভাঙন ঠেকাতে জিও ব্যাগ ও বালুর বস্তা ব্যবহৃত হলেও তা অপ্রতুল বলে অভিযোগ স্থানীয়দের
  • 📌 সংসদ সদস্য হাফেজ মুহাদ্দিস রবিউল বাশার পাউবো কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময়ে স্থায়ী বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানান

📰 বিস্তারিত

সাতক্ষীরা জেলা শহর থেকে প্রায় ২৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত আশাশুনি উপজেলার চাপড়া সেতুর কাছে মরিচ্চাপ নদীর ভাঙন দেখা যায়। সেতুর এক পাশে চাপড়া গ্রাম, অন্য পাশে আশাশুনি উপজেলা সদর। স্থানীয়রা জানান, নদীর খননের পর গতিপথ পরিবর্তনের কারণে ভাঙন তীব্রতর হয়েছে। ভাঙনের কারণে নদীর তীরঘেঁষা ঘরবাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান বিপন্ন হয়ে পড়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা মিনারা বেগম জানান, তাঁর স্বামী আরিফুল ইসলাম সরদার প্রায় ১০ বছর আগে বাড়িটি নির্মাণ করেছিলেন। তখন বাড়ি থেকে নদীর পাড় ছিল ২০ হাতের বেশি দূরে। এখন ভাঙতে ভাঙতে নদী এসে উঠানের কাছে চলে এসেছে। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরিবারে আটজন মানুষ। স্বামী রাজমিস্ত্রি আর শ্বশুর দিনমজুরের কাজ করেন। অনেক কষ্ট করে নিজেরাই ইটের এই বাড়িটি বানিয়েছি। প্রায় দুই বছর আগে নদী খননের পর তোলা বালু-মাটি বাড়ির পাশে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বৃষ্টি আর জোয়ারের টানে সেই মাটি ধুয়ে আবার নদীতে চলে যাচ্ছে।’

স্থানীয় বাসিন্দা শামীম সরদার বলেন, ‘প্রায় দুই বছর আগে নদীটি খনন করা হয়েছে। আগে নদী বেশ দূরে ছিল। খননের সময় চর কেটে নদীটাকে এদিকে চাপিয়ে দেওয়ায় স্রোতের গতিপথও বদলে গেছে। এখন সেই স্রোত সরাসরি আশাশুনি বাজারের দিকে আঘাত করছে। এ কারণে বাজারসহ নদীর পাড়ের ঘরবাড়ি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে।’

আশাশুনি বাজারে প্রায় ২৩ বছর ধরে চায়ের দোকান করেন মোহাম্মদ আবদুল হাই। তিনি বলেন, ‘নদী খননের আগে নদীর পাড় আমার দোকান থেকে বেশ দূরে ছিল। এখন নদী একেবারে ঘরবাড়ির কাছে চলে এসেছে।’ ভাঙনের কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘খননের সময় নদীর পাড়ের গোড়ার মাটি কেটে ওপরে তুলে দেওয়া হয়েছে। জোয়ারের পানিতে সেই মাটি ধুয়ে গোড়া ফাঁকা হয়ে পাড় ভাঙছে।’

‘আমাদের চলাচলের পথটাও নদীতে চলে গেছে। উপজেলার ইউএনও আমার দুরবস্থা দেখে ঘরের চাল মেরামতের জন্য কয়েকটি টিন দিয়েছিলেন। এখন সেই টিনের ঘরটিও নদীভাঙনের মুখে।’

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: আশাশুনি উপজেলা, সাতক্ষীরা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মিনারা বেগম, শামীম সরদার, মোহাম্মদ আবদুল হাই
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: প্রায় ২৪ কিলোমিটার, প্রায় ১০ বছর, প্রায় ২০ হাত, প্রায় ২৩ বছর

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖