📌 কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ ১ নভেম্বর থেকে আবারো পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে। ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন। দ্বীপের হোটেল, রিসোর্ট ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলো পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও সাজসজ্জার কাজে ব্যস্ত রয়েছে
১ নভেম্বর থেকে আবারো পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হবে কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপ। দীর্ঘদিনের বন্ধের পর এই দ্বীপে আবারো ভ্রমণ শুরু হবে। সেন্টমার্টিন দ্বীপে ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৩ হাজার পর্যটক প্রবেশ করতে পারবেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১ নভেম্বর থেকে আবারো খুলছে সেন্টমার্টিন দ্বীপ পর্যটকদের জন্য
- 📌 ২০২৭ সালের ১৫ মার্চ পর্যন্ত চলবে এই ব্যবস্থা
- 📌 প্রতিদিন ৩ হাজার পর্যটক দ্বীপে ভ্রমণ করতে পারবেন
- 📌 নুনিয়াছড়া জেটি থেকে ছাড়বে সেন্টমার্টিনগামী জাহাজ
- 📌 দ্বীপে ছেড়াদ্বীপ নিষিদ্ধ থাকবে
📰 বিস্তারিত
সেন্টমার্টিন দ্বীপের হোটেল, মোটেল, রিসোর্ট ও রেস্টুরেন্টগুলো নতুন সাজসজ্জায় পর্যটকদের স্বাগত জানাতে প্রস্তুত। প্রতিষ্ঠানগুলোতে চলছে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, মেরামত ও সাজসজ্জার কাজ। পাশাপাশি, ব্যবসায়ী ও শ্রমিকরা দ্বীপের উন্নয়ন ও পরিষেবা উন্নতির কাজে ব্যস্ত রয়েছে।
সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভ্রমণের সময় পর্যটকদের নির্দিষ্ট বিধিনিষেধ মেনে চলতে হবে। বিশেষ করে, দ্বীপের ছেড়াদ্বীপে যাওয়া নিষিদ্ধ থাকবে। এছাড়া, জাহাজের ছাড়ার সময়সূচী ও প্রবেশের নিয়মাবলী অনুসরণ করতে হবে।
সেন্টমার্টিনগামী জাহাজগুলো কক্সবাজারের নুনিয়াছড়া জেটি থেকে ছাড়বে। পর্যটকদের জন্য দ্বীপে প্রবেশের সুবিধা নিশ্চিত করার জন্য জাহাজের ব্যবস্থাপনা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে।
"এবারও ছেড়াদ্বীপে যেতে পারবেন না পর্যটকরা।" — জামুনা টিভি
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার (সেন্টমার্টিন দ্বীপ)
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: পর্যটকরা, শ্রমিকরা, ব্যবসায়ী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩ হাজার (প্রতিদিনের সর্বোচ্চ পর্যটক), ১৫ মার্চ ২০২৭ (মেয়াদ শেষ)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!