📌 রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায় মাদরাসার রান্নাঘরে খাবার চাওয়ার নামে এক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে বাবুর্চি ফজের আলী (৭০) ও সোনাবান (৭০) নিহত হন। হামলাকারী সেন্টু (৪৩) আটক করা হয়েছে
রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া মাদরাসার রান্নাঘরে খাবার চাওয়ার নামে এক ব্যক্তির হামলায় বাবুর্চি ফজের আলী (৭০) নিহত হন এবং রক্ষাকবচে এগিয়ে আসা সোনাবান (৭০) নামের এক নারী শনিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যুবরণ করেন। শুক্রবার দুপুরে ঘটে যাওয়া এই হামলায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দৌলতদিয়া আনজুমান-ই-কাদেরিয়া মাদরাসার রান্নাঘরে খাবার চাওয়ার নামে এক ব্যক্তি হামলা চালিয়ে বাবুর্চি ফজের আলী (৭০) ও সোনাবান (৭০) নিহত হন।
- 📌 হামলাকারী সেন্টু (৪৩) নাটোর সদর উপজেলার ডালা দক্ষিণপাড়া গ্রামের আবুল হোসেনের ছেলে।
- 📌 ফজের আলীকে মাথায় কাঠের আঘাত দিয়ে নিহত করা হয়, সোনাবানকে রক্ষা করতে গিয়ে আহত হন।
- 📌 নিহতদের মধ্যে ফজের আলী রাজবাড়ী সদর উপজেলার আলীপুর ইউনিয়নের মল্লিকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা, সোনাবান দৌলতদিয়ার সিদ্দিক কাজিরপাড়ার সাইম উদ্দিন শেখের স্ত্রী।
- 📌 গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি শফিকুল ইসলাম বলেন, হামলাকারী সেন্টুর মানসিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) জুমার নামাজের পর দুপুর আড়াইটার দিকে দৌলতদিয়া আনজুমান-ই-কাদেরিয়া মাদরাসাতু সাবি ইল হাসান দাখিল মাদরাসার রান্নাঘরে ঘটনা ঘটে। ওই সময় বাবুর্চি ফজের আলী শিক্ষার্থীদের মধ্যে খাবার পরিবেশন করছিলেন। সেন্টু সেখানে গিয়ে খাবার চান। কিন্তু শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ খাবার শেষ হওয়ায় অতিরিক্ত খাবার না থাকায় ফজের আলী তা জানান। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সেন্টু রান্নার কাজে ব্যবহৃত কাঠ দিয়ে ফজের আলীর মাথায় আঘাত করেন। ফজের আলী মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। রক্ষা করতে এগিয়ে আসা সোনাবানকেও সেন্টু আঘাত করেন। স্থানীয়রা দুজনকে উদ্ধার করে গোয়ালন্দ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক ফজের আলীকে মৃত ঘোষণা করেন।
সোনাবানকে প্রথমে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে শনিবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে সেন্টুকে আটক করে। পরে তাঁকে পুলিশি হেফাজতে নেওয়া হয়। নিহতদের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
"আটক ব্যক্তির মানসিক অবস্থা যাচাইয়ের জন্য পুলিশি পাহারায় তাঁর চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছে। তাঁর নাম-পরিচয়ও পাওয়া গেছে।"
গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: দৌলতদিয়া, গোয়ালন্দ উপজেলা, রাজবাড়ী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফজের আলী (৭০), সোনাবান (৭০), সেন্টু (৪৩), ওসি শফিকুল ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২ জন নিহত, ৪৩ বছর হামলাকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!