📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিওতে কমেন্টের কারণে দুই পক্ষের সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়। সালিশ বৈঠকেও বিরোধ মীমাংসা হয়নি, পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবার সংঘর্ষ শুরু হয়। আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে
ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক ভিডিওতে কমেন্টের কারণে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে ২০ জন আহত হয়েছেন। পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর সংঘর্ষ আবার শুরু হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল টিকটক ভিডিওতে কমেন্টের কারণে দুই তরুণের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে, যার জেরে সোহাগপুর গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা বাড়ে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জে টিকটক কমেন্টে সংঘর্ষে ২০ জন আহত
- 📌 সালিশ বৈঠকে বিরোধ মীমাংসা হলেও পুলিশ চলে যাওয়ার পর সংঘর্ষ পুনরাবৃত্তি
- 📌 আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে
- 📌 সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল টিকটক ভিডিওতে কমেন্ট করা
📰 বিস্তারিত
শনিবার (৩১ অক্টোবর) সকালে আশুগঞ্জ বাজারে জারু মিয়ার গদিতে স্থানীয় নেতাদের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গতকাল টিকটক ভিডিওতে কমেন্টের কারণে দুই তরুণের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। এরপর সোহাগপুর গ্রামের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে উত্তেজনা ও বিরোধের সৃষ্টি হয়। সালিশ বৈঠকে বিরোধ মীমাংসা হলেও, পুলিশ চলে যাওয়ার পর আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়।
আশুগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আনিসুর রহমান জানান, গতকাল একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সেটির সমাধানে আজ সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক হয় এবং বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে সালিশ শেষে পুলিশ চলে গেলে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। তিনি আরও জানান, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে এবং আহতদের চিকিৎসা চলছে।
এ ঘটনায় অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, সংঘর্ষের মূল কারণ ছিল টিকটক ভিডিওতে কমেন্ট করা।
"গতকাল একটি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছিল। সেটির সমাধানে আজ সকালে পুলিশের উপস্থিতিতে সালিশ বৈঠক হয় এবং বিষয়টি মীমাংসা করা হয়। তবে সালিশ শেষে পুলিশ চলে গেলে আবারও সংঘর্ষ শুরু হয়। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে।"
— আশুগঞ্জ থানার ওসি মো. আনিসুর রহমান
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ব্রাহ্মণবাড়িয়া আশুগঞ্জ, জারু মিয়ার গদি, আশুগঞ্জ বাজার
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ওসি মো. আনিসুর রহমান, স্থানীয় নেতারা, পুলিশ কর্মকর্তারা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২০ জন আহত
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!