📌 রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নিশ্চিত করেছেন, আগামী নভেম্বর থেকে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে। রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত এই প্রকল্পের প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) বিকালে পরীক্ষামূলকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম মোবাইল ফোনে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, দুপুর ১২টায় দ্বিতীয় দফায় পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হয়েছে, আগামী নভেম্বর থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হতে পারে
- 📌 বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম নিশ্চিত করেছেন, দুপুর ১২টায় দ্বিতীয় দফায় পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) অনুমোদন দিয়েছে প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার জন্য
- 📌 আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থা (আইএইএ) ও রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পের ‘বি-১’ পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম জ্বালানি সরবরাহ শুরু করেছে
- 📌 ৩০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে
📰 বিস্তারিত
রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষ (বায়েরা) অনুমোদন দিয়েছিল বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু করার জন্য। এই ধাপে প্রথমবারের মতো স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন বা পরমাণুর বিভাজন প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে। এর মাধ্যমে চুল্লিতে ধীরে ধীরে স্থিতিশীল ও নিরাপদভাবে শক্তি উৎপাদন শুরু হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, আন্তর্জাতিক পারমাণবিক শক্তি সংস্থার (আইএইএ) নির্দেশনা অনুযায়ী রাশিয়ার সহযোগিতায় নির্মিত প্রকল্পটির প্রথম ইউনিটের ‘বি-১’ পর্যায়ের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। সর্বশেষ স্বয়ংক্রিয় চাপ প্রশমন ভালভ পরীক্ষার জটিলতাও কাটিয়ে ওঠা গেছে। এর পরের ধাপ ‘বি-২’। এ পর্যায়ে প্রাথমিক পরিচালনার জন্য পারমাণবিক চুল্লিকে প্রস্তুত করা হয়েছে। এরপর শুরু হয়েছে ক্রিটিক্যালিটি বা স্বয়ংসম্পূর্ণ চেইন রিঅ্যাকশন। এ প্রক্রিয়ায় চুল্লির ভেতরে পরমাণুর বিভাজনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে শক্তি উৎপাদন বাড়ানো হচ্ছে।
উৎপাদন ৩০০ মেগাওয়াটে পৌঁছালে বাণিজ্যিকভাবে জাতীয় সঞ্চালন লাইনে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু হবে। এদিকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিটের জন্য পারমাণবিক জ্বালানি সরবরাহও শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে রাশিয়ার পরমাণু শক্তি সংস্থা রসাটম গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় ইউনিটের ভিভিইআর-১২০০ রিঅ্যাক্টরের প্রাথমিক জ্বালানি লোডিংয়ের জন্য এ সরবরাহ কার্যক্রম শুরু হয়েছে।
"দুপুর ১২টার দিকে দ্বিতীয় দফায় পারমাণবিক বিক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। এরপর ধীরে ধীরে নিয়ন্ত্রিত উপায়ে পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু হচ্ছে।" — বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঈশ্বরদী, রূপপুর
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০০ মেগাওয়াট (বাণিজ্যিক উৎপাদন), ২৯ অক্টোবর (বায়েরার অনুমোদন), ৩০ অক্টোবর (পরীক্ষামূলক বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!