📌 রংপুরে ইয়াবা সেবন প্রতিরোধ করতে গিয়ে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যা করা হয়েছে। রোববার রাতে একই চিতায় তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়। পুলিশ দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করেছে
রংপুরে ইয়াবা সেবন প্রতিরোধ করতে গিয়ে একই পরিবারের চার সদস্যকে হত্যার ঘটনায় রোববার রাতে একই চিতায় তাদের শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। রংপুর নগরীর কামাল কাছনা দখীগঞ্জ মহাশ্মশানে ধর্মীয় আচার অনুযায়ী চারজনের মরদেহ দাহ করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হত্যাকাণ্ডের শিকার হন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তাঁর স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী ও ছেলে আয়ুশ চক্রবর্তী
- 📌 হত্যাকাণ্ডের কারণ হিসেবে পুলিশ দাবি করেছে, ইয়াবা সেবনে বাধা দেওয়ায় তাদের শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে
- 📌 গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাসা থেকে চারজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ
- 📌 ঘটনায় সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস নামের দুই তরুণকে গ্রেপ্তার করে জেলে পাঠানো হয়েছে
📰 বিস্তারিত
রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকার মাছুয়াপাড়ায় নিজ বাসা থেকে গত শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে তিনটার দিকে চারজনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার বিবরণে পুলিশ জানায়, ইয়াবা সেবন প্রতিরোধ করতে গিয়ে তাদের হত্যা করা হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সন্ধ্যা সাতটার দিকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে চারজনের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এরপর অ্যাম্বুলেন্সে করে দুই দফায় চারজনের মরদেহ কামাল কাছনা দখীগঞ্জ মহাশ্মশানে নিয়ে যাওয়া হয়। ধর্মীয় বিধি অনুযায়ী চারজনের শেষকৃত্য সম্পন্ন করা হয়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে চারটি চিতায় একই সঙ্গে চারজনের মরদেহ দাহ করা হয়।
এ সময় উপস্থিত স্বজনেরা চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। নিহত শিক্ষকের শ্যালিকা পূজা চক্রবর্তী বলেন, ‘যারা মেরেছে, ভগবান তাদের বিচার করবে। তাদের কঠিন শাস্তি চাই।’ তিনি আরও বলেন, ‘আহারে আজ তাদের বেঁচে থাকার কথা ছিল।’
‘জীবনে অনেক শেষকৃত্য দেখেছি। একই সঙ্গে চারজনকে বিদায় জানানোর কষ্টের দৃশ্য জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মনে থাকবে।’ — বিশ্বজিৎ চক্রবর্তী, নিহত শিক্ষকের বড় ভাইয়ের জামাতা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর নগরীর কামাল কাছনা এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: গণপতি চক্রবর্তী (অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক), প্রীতিলতা চক্রবর্তী (স্ত্রী), আগামী চক্রবর্তী (মেয়ে), আয়ুশ চক্রবর্তী (ছেলে), সিদ্ধার্থ দাস ও মুগ্ধ দাস (গ্রেপ্তারকৃত)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: চারজন হত্যার শিকার, দুইজন গ্রেপ্তার
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!