📌 সড়ক দুর্ঘটনায় দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারের উদ্যোগে ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স ও ৮০টি টহল মোটরসাইকেল উদ্বোধন করা হয়েছে। মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও দ্রুত উদ্ধারে এসব যানবাহন মোতায়েন করা হবে।
সড়ক দুর্ঘটনার পর দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা প্রদানের লক্ষ্যে সরকারের উদ্যোগে ১৮০টি বিশেষ যানবাহন উদ্বোধন করা হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) আওতায় ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স এবং হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল চালু করা হয়। রাজধানীর তেজগাঁওয়ে সড়ক ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এসব যানবাহনের উদ্বোধন করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশের মহাসড়কে দুর্ঘটনা প্রতিরোধ ও দ্রুত উদ্ধার কার্যক্রম জোরদার করতে ১৮০টি বিশেষ যানবাহন চালু করা হয়েছে
- 📌 ৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে মোতায়েন করা হবে
- 📌 ঢাকায় দুর্ঘটনার পর দ্রুত রোগী পরিবহনের জন্য ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হয়েছে
- 📌 হাইওয়ে পুলিশের জন্য ৮০টি টহল মোটরসাইকেল প্রদান করা হয়েছে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা জোরদার করতে
- 📌 প্রকল্পটির আওতায় প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা রয়েছে
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ সরকার ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ অর্থায়নে পরিচালিত বাংলাদেশ সড়ক নিরাপত্তা প্রকল্পের (বিআরএসপি) অধীনে এসব যানবাহন চালু করা হয়েছে। প্রকল্পটির মূল উদ্দেশ্য মহাসড়কে দুর্ঘটনা কমানো এবং দুর্ঘটনার পর দ্রুত উদ্ধার ও জরুরি চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা। দেশের প্রথম বহুখাতভিত্তিক ও ‘সেফ সিস্টেম অ্যাপ্রোচ’ভিত্তিক এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
৬০টি বেসিক লাইফ সাপোর্ট অ্যাম্বুলেন্স জয়দেবপুর-হাটিকুমরুল-বগুড়া-রংপুর, হাটিকুমরুল-নাটোর-রাজশাহী এবং জয়দেবপুর-ময়মনসিংহ জাতীয় মহাসড়কের মোট ৫০০ কিলোমিটার অংশে মোতায়েন করা হবে। প্রতি ১০ কিলোমিটার পরপর একটি করে অ্যাম্বুলেন্স রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকায় যানজটের কারণে সাধারণ অ্যাম্বুলেন্স দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে না পারায় ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স চালু করা হয়েছে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের প্রধান সমন্বয়ক শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। এ সময় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের সচিব মো. কামরুজ্জামান চৌধুরী, সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক, বিশ্বব্যাংকের বাংলাদেশ ও ভুটান ডিভিশনের পরিচালক এবং সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
"২০২৭ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে একটি সমন্বিত নিরাপদ সড়ক আইন করার পরিকল্পনা রয়েছে। মহাসড়কের পাশে থাকা বাজার সরিয়ে নেওয়া, আঞ্চলিক সড়কের সংযোগস্থলে প্রয়োজনীয় ডাইভারশন এবং সড়কে মার্কিংয়ের মতো বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজধানীর তেজগাঁও, সড়ক ভবন, ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: শেখ রবিউল আলম (সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬০টি অ্যাম্বুলেন্স, ৪০টি মোটরসাইকেল অ্যাম্বুলেন্স, ৮০টি টহল মোটরসাইকেল, ৫০০ কিলোমিটার মহাসড়ক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!