📌 গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় মাছ রক্ষায় অভিযানে ৪৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার। উদ্ধারকৃত জালগুলো আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে। দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য কর্মকর্তারা
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানের পর উদ্ধার করা জালগুলো ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় দেশীয় মাছ রক্ষায় অভিযানে ৪৫টি চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার
- 📌 উদ্ধারকৃত জালগুলোর আনুমানিক মূল্য ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
- 📌 অভিযান চালানো হয় গত ১৮ আগস্ট সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত
- 📌 দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান কর্মকর্তারা
📰 বিস্তারিত
গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়া উপজেলায় দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অভিযান চালিয়ে প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যের ৪৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করেছে উপজেলা মৎস্য বিভাগ। অভিযানটি পরিচালিত হয় গত ১৮ আগস্ট সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন খাল-বিলে। অভিযানে নেতৃত্ব দেন টুঙ্গিপাড়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়।
উদ্ধার করা জালগুলো ডুমুরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে আগুন দিয়ে ধ্বংস করা হয়। অভিযানে মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তাদের পাশাপাশি ইউনিয়ন পরিষদের গ্রাম পুলিশ সদস্য ও স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা সহযোগিতা করেন।
‘বর্তমানে দেশীয় মাছের প্রজনন মৌসুমে অসাধু ব্যক্তিরা বিভিন্ন খাল-বিলে নিষিদ্ধ চায়না দুয়ারি জাল পেতে নির্বিচারে মাছ শিকার করছে। এতে দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও স্বাভাবিক বংশবিস্তার মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।’ — টুঙ্গিপাড়া উপজেলা জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা দেবাশীষ বাছাড়
তিনি আরও বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে ডুমুরিয়া ইউনিয়নের বিভিন্ন খাল-বিলে অভিযান চালিয়ে ৪৫টি অবৈধ চায়না দুয়ারি জাল উদ্ধার করা হয়েছে। পরে ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে নিয়ে জালগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়।’
দেশীয় প্রজাতির মাছের নিরাপদ প্রজনন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় অবৈধ চায়না দুয়ারি জালের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানান তিনি। তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘কেউ নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার করলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: টুঙ্গিপাড়া, গোপালগঞ্জ
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: দেবাশীষ বাছাড়, জ্যেষ্ঠ মৎস্য কর্মকর্তা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪৫টি জাল, ১ লাখ ২৫ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!