📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি ওয়ার্ডে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় চিকিৎসকরা মুঠোফোনের আলোয় রোগীদের চিকিৎসা দিচ্ছেন। গত আট দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে রোগী ও স্বজনদের চরম ভোগান্তি হচ্ছে
বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি ওয়ার্ডে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ না থাকায় চিকিৎসকরা মুঠোফোনের আলোয় রোগীদের চিকিৎসা দিতে বাধ্য হচ্ছেন। বৈদ্যুতিক পাখা বন্ধ থাকায় রোগী ও স্বজনদের দুর্ভোগের শেষ নেই। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, মোট ৪০টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১২টিতে জরুরি বিদ্যুৎ সংযোগ না থাকায় এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় মুঠোফোনের আলোয় চিকিৎসা দিচ্ছেন চিকিৎসকরা
- 📌 রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ১২টি ওয়ার্ডে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ নেই
- 📌 গত আট দিন ধরে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের কারণে ভোগান্তি বেড়েছে
- 📌 মেডিসিন বিভাগের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ডে সবচেয়ে বেশি সমস্যা হচ্ছে
- 📌 হাসপাতালের বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ছয়টি উপকেন্দ্র থাকলেও সক্ষমতা মাত্র ৫ মেগাওয়াট
📰 বিস্তারিত
গত মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত প্রায় দেড় ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সময় দেখা যায়, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ২৯ ও ৩০ নম্বর ওয়ার্ড সম্পূর্ণ অন্ধকারে ছেয়ে গেছে। অসংখ্য রোগী ও স্বজনদের চিৎকার-চেঁচামেচিতে মুখরিত হয়ে ওঠে ওয়ার্ড দুটি। চিকিৎসকরা মুঠোফোনের আলোয় রোগীদের দেখাশোনা করছিলেন, ব্যবস্থাপত্র লিখছিলেন। নার্সরা মুঠোফোনের আলোয় রোগীর হাতে স্যালাইনের সুই ফোটাচ্ছিলেন।
কুড়িগ্রাম থেকে ছোট বোনকে চিকিৎসা করাতে আসা মহসিন মিয়া বলেন, ‘এক ঘণ্টা থেকে কারেন্ট নাই। ফ্যান চলে না, খুব গরম। রোগী গরমে আরও অসুস্থ হচ্ছে।’ লালমনিরহাট থেকে মায়ের চিকিৎসার জন্য আসা মোহাম্মদ বজলুল হক বলেন, ‘কারেন নাই। আন্দারোত কিছুই দেখা যাওচে না। হামরা কাকে কই? হামার কথা কাঁয়ও শোনে না।’
হাসপাতালের বিদ্যুৎমিস্ত্রি কামরুজ্জামান জানান, আগে বিদ্যুৎ চলে গেলে জেনারেটরের মাধ্যমে সব ওয়ার্ডে জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হতো। কিন্তু নেসকো ডুয়েল ফিডার চালু করায় ১২টি ওয়ার্ডে জেনারেটরের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ফলে ঘন ঘন লোডশেডিংয়ের সময় ওই ওয়ার্ডগুলোতে ভুতুড়ে অবস্থার সৃষ্টি হয়।
"দুই দিন ঘুরে দেখেছি, একটু অগোছালো আছে। আমরা বসে সিদ্ধান্ত নেব, আর কী কী করা যায়। সেসবের প্রস্তাবনা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠাব।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: চিকিৎসক ইশতিয়াক আহমেদ, বিদ্যুৎমিস্ত্রি কামরুজ্জামান, প্রকৌশলী মিজানুর রহমান আকন্দ
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২টি ওয়ার্ড, ৪০টি ওয়ার্ড, ৮ মেগাওয়াট, ৫ মেগাওয়াট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!