📌 কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গত এক মাসে ১৭টি চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশের খাতায় মাত্র তিনটি অভিযোগ জমা পড়েছে। ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার না পাওয়ায় তারা আর আইনি ব্যবস্থা নিতে চান না। স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের নীরব ভূমিকাই এর জন্য দায়ী
কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় গত এক মাসে অন্তত ১৭টি চুরির ঘটনা ঘটলেও পুলিশের কাছে মাত্র তিনটি অভিযোগ জমা পড়েছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়ায় ক্ষতিগ্রস্তরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁরা জানিয়েছেন, থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার না পাওয়ায় তাঁরা নীরবে ক্ষতির বোঝা বইছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গত এক মাসে পাকুন্দিয়ায় ঘটেছে অন্তত ১৭টি চুরির ঘটনা
- 📌 পুলিশের খাতায় জমা হয়েছে মাত্র তিনটি অভিযোগ
- 📌 ক্ষতিগ্রস্তরা জানিয়েছেন, থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার মিলছে না
- 📌 স্থানীয়দের অভিযোগ, ইয়াবা ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের নীরব ভূমিকাই এর জন্য দায়ী
📰 বিস্তারিত
গত সোমবার রাতে উপজেলার চরফরাদী ইউনিয়নের বর্ষাগাতী গ্রামে মো. মুর্শিদ উদ্দিনের ছেলে শরিফুল ইসলামের তিনটি গরু, হিজলিয়া গ্রামে মৃত দুলাল মিয়ার ছেলে প্রবাসী মুস্তাকিমের দুটি গরু এবং চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের শৈলজানী গ্রামে মৃত তাহের উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আলী রফিকের তিনটি গরু চুরি হয়। এর আগে গত রোববার রাতে পৌর সদরের চর লক্ষ্মিয়া গ্রামে মৃত মতি লাটের ছেলে মৃত সোহাগ লাটের একটি গরু, মধ্য পাকুন্দিয়া এলাকার ছাত্রদল নেতা আরমান হোসেনের বাবা চাঁন মিয়ার দুটি ও তাঁর চাচা লাল মিয়ার দুটি গরু চুরি হয়।
একই দিন সন্ধ্যায় পৌর সদরের সৈয়দগাঁও আদু পাগলা মাজার-সংলগ্ন এলাকায় পার্শ্ববর্তী টোক এলাকার আকবরকে (৬০) অজ্ঞান করে তাঁর অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এর আগের দিন শনিবার উপজেলার তারাকান্দি উত্তর পাড়ার প্রবাসী কাজলের ঘর থেকে প্রায় ১০-১২ লাখ টাকা মূল্যের মালামাল লুট করা হয়।
গত শুক্রবার চণ্ডীপাশা গ্রামের হরেছ মিয়ার গোয়ালঘর থেকে চুরি হয় তিনটি গরু। পৌর সদরের আনোয়ারখালী গ্রামের আজাহারুল ইসলাম কাঞ্চনের বসতঘর থেকে গত ২৩ আগস্ট রাতে ৫০ হাজার টাকার মালামাল চুরি হয়। ২৪ আগস্ট রাতে একই গ্রামের প্রবাসী ফখরুল আলমের বাড়ি থেকে প্রায় ১২ লাখ টাকার মালামাল লুট করা হয়।
"থানায় অভিযোগ করেও প্রতিকার না পাওয়ায় আমরা নীরবে ক্ষতির বোঝা বইছি। প্রশাসনের নীরব ভূমিকাই আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতির অন্যতম কারণ।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: পাকুন্দিয়া, কিশোরগঞ্জ
- 👥 ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি: মোহাম্মদ আলী, শরিফুল ইসলাম, মুস্তাকিম, চাঁন মিয়া, লাল মিয়া, আকবর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭টি চুরির ঘটনা, ৩টি অভিযোগ, ১০-১২ লাখ টাকা, ৫০ হাজার টাকা, ১২ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!