📌 নারায়ণগঞ্জের সালেহনগর এলাকায় ইসলামী যুব আন্দোলনের নেতা মুজাহিদুল ইসলামকে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছে। হত্যার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে অভিযুক্ত শেখ সিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে
নারায়ণগঞ্জের সালেহনগর এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে ইসলামী যুব আন্দোলনের স্থানীয় নেতা মুজাহিদুল ইসলাম ওরফে বুলবুলকে (৪৫) ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়। ঘটনায় জড়িত শেখ সিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার সকালে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুজাহিদুল ইসলামকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে হত্যা করা হয়
- 📌 হত্যাকাণ্ড ঘটে নারায়ণগঞ্জের সালেহনগর এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে
- 📌 ঘটনায় জড়িত শেখ সিফাতকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ
- 📌 হত্যার প্রতিবাদে ইসলামী আন্দোলনের কর্মীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে
- 📌 মুজাহিদুল ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশের বন্দর থানা শাখার আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জের সালেহনগর এলাকায় বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে মুজাহিদুল ইসলামকে একা পেয়ে কয়েকজন তাঁকে ঘিরে ধরে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে রাস্তায় ফেলে রেখে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
মুজাহিদুল ইসলাম ছিলেন ইসলামী যুব আন্দোলন বাংলাদেশ, বন্দর থানা শাখার আইন ও মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক। তিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার ঘটনায় করা মামলার বাদী ছিলেন। ২০২৪ সালের আগস্টে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে অংশ নেওয়ার কারণে তাঁর মালিকানাধীন রিকশার গ্যারেজে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। স্বজনেরা জানান, গ্যারেজ থেকে ১৮টি রিকশা লুট করা হয়।
এ ঘটনায় মুজাহিদুল বাদী হয়ে শেখ সিফাতসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় মামলা করেন। শেখ সিফাত ছিলেন ওই মামলার এজাহারভুক্ত ৬ নম্বর আসামি। স্বজনদের অভিযোগ, মামলা করার পর থেকেই সেটি তুলে নিতে মুজাহিদুলকে চাপ দেওয়া হচ্ছিল। তাঁকে প্রাণনাশের হুমকিও দেওয়া হয়।
হত্যার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর বন্দরে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। রাতে স্থানীয় লোকজন ও ইসলামী আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা সড়কে নেমে বিক্ষোভ করেন। তাঁরা টায়ারে আগুন জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখান। একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীরা হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত শেখ সিফাত ও তাঁর স্বজনদের বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
"মুজাহিদুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক আধা ঘণ্টা অবরোধ করে রাখা হয়েছিল। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এখন মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সালেহনগর, নারায়ণগঞ্জ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মুজাহিদুল ইসলাম (৪৫), শেখ সিফাত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৮টি রিকশা, ৬ নম্বর আসামি
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!