📌 বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনের বিদায়ী বার্তায় আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি দল ও নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময় থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সবাইকে সঙ্গ দিয়েছেন
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনের বিদায়ী বার্তায় আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি দল ও নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময় থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সবাইকে সঙ্গ দিয়েছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের শেষ দিন ছিল শুক্রবার, ১৪ আগস্ট
- 📌 বৃহস্পতিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতা
- 📌 ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময় থেকে শুরু করে ১৭ বছরের সংগ্রামের কথা উল্লেখ করেন নাছির উদ্দীন নাছির
- 📌 দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বকে রাজনৈতিক জীবনের অনুপ্রেরণা হিসেবে বর্ণনা করেন তিনি
- 📌 ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের আন্দোলনে নেতাকর্মীদের রাজপথে রাখার চ্যালেঞ্জের কথা তুলে ধরেন
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন নাছির তাঁর দীর্ঘ ১৭ বছরের রাজনৈতিক জীবনের বিদায়ী বার্তায় আবেগঘন স্মৃতিচারণ করেছেন। তিনি দল ও নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময় থেকে শুরু করে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে সবাইকে সঙ্গ দিয়েছেন। শুক্রবার সকালে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে দীর্ঘ পোস্টে তিনি এসব কথা তুলে ধরেন।
তিনি উল্লেখ করেন, ‘ওয়ান ইলেভেনের দুঃসময়ে আমার রাজনৈতিক জীবনের শুরু। সেই কঠিন সময় থেকে শুরু করে দীর্ঘ ১৭ বছরের সীমাহীন অনিশ্চয়তা শেষে উজ্জ্বল ভিন্ন এক বাংলাদেশে আমরা দাঁড়িয়ে আছি।’ তাঁর মতে, এই পথচলা সহজ ছিল না; ছিল সংগ্রাম, ত্যাগ, নির্যাতন, গুম ও খুনের ভয়াবহ বাস্তবতা। তিনি বলেন, ‘এই দীর্ঘ সময়ে যারা গুম, খুন ও নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, সেই সকল নেতাকর্মীকে আমি গভীর কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনের শেষ দিন সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘একটি দীর্ঘ, কঠিন, ঘটনাবহুল এবং একই সঙ্গে গৌরবের অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটছে। বিদায়ের এ মুহূর্তে স্বাভাবিকভাবেই চোখের সামনে ভেসে উঠছে অসংখ্য স্মৃতি—সংগ্রাম, সাফল্য, ব্যর্থতা, আনন্দ, বেদনা এবং সবচেয়ে বেশি করে আমার সহযোদ্ধাদের ভালোবাসা।’
তিনি তাঁর রাজনৈতিক যাত্রার শুরু সম্পর্কে বলেন, ‘নোয়াখালীর সুবর্ণচরের সন্তান হিসেবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়েছিলাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাঙ্গণে এসে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছিলাম। তখন হয়তো ভাবিনি, একদিন এই সংগঠনের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করার দুর্লভ সুযোগ আমার জীবনে আসবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন নেতৃত্ব আমার রাজনৈতিক জীবনের সার্বক্ষণিক অনুপ্রেরণা ছিল। তার দৃঢ়তা, ত্যাগ এবং গণতন্ত্রের প্রতি অবিচল অবস্থান আমাদের প্রতিটি সংগ্রামের শক্তি হয়ে থেকেছে।’
২০২৪ সালের ১ মার্চ দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে তাঁরা একটি কঠিন রাজনৈতিক বাস্তবতার মধ্য দিয়ে পথ চলেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। তাঁর মতে, সময়ের সবচেয়ে কঠিন অধ্যায় ছিল ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট। সেই উত্তাল সময়ে নেতাকর্মীদের রাজপথে সক্রিয় রাখা, তাদের সাহস জোগানো এবং সংগঠনের প্রতিটি স্তরকে আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত রাখাই ছিল সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।
‘জুলাই-আগস্টের সেই আন্দোলনে ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রাজপথে থেকেছেন। ঢাকার পাঁচ বিশ্ববিদ্যালয়, পাঁচ কলেজ এবং চার মহানগরের তৎকালীন নেতৃত্ব অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছেন। তাদের প্রত্যেকের প্রতি আমার ব্যক্তিগত কৃতজ্ঞতা।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাছির উদ্দীন নাছির
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭ বছর
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!