📌 খুলনার রূপসা উপজেলায় যুবদল কর্মী ফখরুল ইসলাম হত্যার ঘটনায় চুক্তিভিত্তিক খুনি ইব্রাহিম ওরফে কাটাপ্পা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। হত্যার পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নের বিস্তারিত বিবরণ উঠে এসেছে তাঁর জবানবন্দিতে
খুলনার রূপসা উপজেলায় যুবদল কর্মী ফখরুল ইসলাম হত্যা মামলায় চুক্তিভিত্তিক খুনি ইব্রাহিম ওরফে কাটাপ্পা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত-২-এর বিচারক অপূর্ব বালা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 যুবদল কর্মী ফখরুল ইসলামকে হত্যার দায় স্বীকার করেছেন চুক্তিভিত্তিক খুনি ইব্রাহিম ওরফে কাটাপ্পা
- 📌 হত্যার ঘটনায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন কাটাপ্পা
- 📌 ঘটনার দিন বিকেলে আব্দুর রহমান মোটরসাইকেলে ফখরুলকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান
- 📌 রূপসা ব্রিকসের কার্যালয়ে গুলি চালিয়ে হত্যা করেন কাটাপ্পা
- 📌 ঘটনার পর চুক্তির টাকা না পেয়ে যশোর পালিয়ে যান কাটাপ্পা
📰 বিস্তারিত
খুলনার রূপসা উপজেলায় যুবদল কর্মী ফখরুল ইসলাম হত্যা মামলায় চুক্তিভিত্তিক খুনি ইব্রাহিম ওরফে কাটাপ্পা আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। সোমবার (১৭ আগস্ট) রাতে তাঁকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দিয়েছেন খুলনার সিনিয়র জুডিশিয়াল আদালত-২-এর বিচারক অপূর্ব বালা। এর আগে র্যাব-৬ ও সিপিসি-৩ যশোর ক্যাম্পের সদস্যরা অভিযান চালিয়ে কাটাপ্পাকে গ্রেপ্তার করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ১২ আগস্ট রাতে রূপসার মেসার্স রূপসা ব্রিকসের কার্যালয়ে অবস্থান করছিলেন যুবদল কর্মী ফখরুল ইসলাম। এ সময় অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনি নিহত হন। ঘটনায় তাঁর ভাই ফরহাদ হোসেন বাদী হয়ে রূপসা থানায় অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেন।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্রে আরও জানা যায়, রূপসার ইটভাটার পাহারাদার তৈয়েব একটি সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্য ছিলেন। মাদক কারবারের সঙ্গে জড়িত থাকায় তাঁর কাছে টাকার অংশ পেতেন ফখরুল। বিষয়টি জানতে পেরে ওই বাহিনীর প্রধান ক্ষুব্ধ হন এবং হত্যার পরিকল্পনা করেন। হত্যার দায়িত্ব দেওয়া হয় কাটাপ্পা ও আব্দুর রহমানকে।
হত্যার পরিকল্পনা অনুযায়ী ঘটনার দিন বিকেলে আব্দুর রহমান মোটরসাইকেলে ফখরুলকে নিয়ে বিভিন্ন স্থানে ঘোরান। পরে রাতে তাঁকে রূপসা ব্রিকসের কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে কয়েকজন মিলে মাদক সেবনের পর সিঁড়ি দিয়ে নিচে নামার সময় কাটাপ্পা ফখরুলকে লক্ষ্য করে গুলি করেন। প্রথম গুলির পর দ্বিতীয় গুলি কাজ না করায় আব্দুর রহমান পিস্তল দিয়ে ফখরুলের মুখে গুলি করেন। ঘটনাস্থলেই তাঁর মৃত্যু হয়। পরে মোটরসাইকেলে করে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান তাঁরা।
আব্দুর রহমান পিস্তল নিয়ে চলে গেলেও চুক্তির টাকা না পেয়ে তাঁর কাছ থেকে সাড়ে তিন হাজার টাকা নিয়ে যশোর পালিয়ে যান কাটাপ্পা। উন্নত প্রযুক্তির সহায়তায় যশোরে তাঁর অবস্থান শনাক্ত করে র্যাব সদস্যরা তাঁকে গ্রেপ্তার করেন। গত শনিবার রাত ৩টার দিকে গ্রেপ্তারের পরদিন বিকেলে তাঁকে রূপসা থানায় হস্তান্তর করা হয়।
"কাটাপ্পা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। জবানবন্দি শেষে আদালত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: খুলনার রূপসা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ফখরুল ইসলাম, ইব্রাহিম ওরফে কাটাপ্পা, আব্দুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৬৪ (ধারা), ১৭ (আগস্ট), ১২ (আগস্ট), ৩ (টাকা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!