📌 আবুল আহসান চৌধুরী লালন ফকিরকে ভক্তির আতিশয্য ও নির্মম বিদ্বেষ থেকে মুক্তি দিতে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
প্রথম আলোতে গবেষক আবুল আহসান চৌধুরীর সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি লালন ফকির, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ও মীর মশাররফ হোসেনের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেছেন এবং ভক্তির অতিরিক্ত উন্মাদনা ও বিদ্বেষ থেকে লালনের মুক্তি দাবি করেছেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গবেষক আবুল আহসান চৌধুরী লালন ফকির, কাঙাল হরিনাথ মজুমদার ও মীর মশাররফ হোসেনের পুনঃমূল্যায়ন করেছেন।
- 📌 তার পিতার সংগ্রহে প্রবাসী, কল্লোল, মোহাম্মদী, সওগাত, নওরোজ, দীপিকা, জাগরণী ইত্যাদি পুরোনো পত্র-পত্রিকা অন্তর্ভুক্ত ছিল।
- 📌 ড. কাজী মোতাহার হোসেন, কুষ্টিয়ার ম্যাজিস্ট্রেট, গবেষকের বাড়িতে ঘন ঘন আসতেন এবং লেখালেখিতে প্রেরণা দিতেন।
- 📌 গবেষণার সময় তিনি কলকাতা ও কাতারসহ বিভিন্ন স্থানে গবেষণা ও সংযোগ স্থাপন করেছেন।
📰 বিস্তারিত
আবুল আহসান চৌধুরীর শৈশব বইয়ের ঘরে কাটে; তার পিতা ফজলুল বারি চৌধুরীর সংগ্রহে প্রবাসী, কল্লোল, মোহাম্মদী, সওগাত, নওরোজ, দীপিকা, জাগরণী ইত্যাদি বহু দুর্লভ পত্র-পত্রিকা ছিল, যা তার সাহিত্য‑সংস্কৃতি চর্চার ভিত্তি গড়ে তুলেছিল।
তৃতীয় দশকে তার পিতা কুষ্টিয়ায় অনারারি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে মহকুমা হাকিম অন্নদাশঙ্কর রায়ের সহকর্মী ছিলেন; সেই সময়ে ড. কাজী মোতাহার হোসেন ঘন ঘন বাড়িতে আসতেন, পাণ্ডিত্যের আলোকে লেখালেখির মকশো‑খাতা সংশোধন করে দিতেন। এছাড়া অধ্যাপক মুহম্মদ মনসুরউদ্দীন, আচার্য সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়, অন্নদাশঙ্কর রায়, সৈয়দ মুর্তাজা আলী ও ড. আহমদ শরীফের সমর্থন ও নির্দেশনা তার গবেষণাকে সমৃদ্ধ করেছে।
লালনের প্রতি তার দৃষ্টিভঙ্গি হল লালনকে ভক্তির অতিরিক্ত উন্মাদনা, ধর্মীয় অপব্যাখ্যা, শ্রেণিপীড়ন ও সামাজিক অনাচার থেকে রক্ষা করা; তিনি বলেন, "ভক্তির আতিশয্য ও নির্মম বিদ্বেষ থেকে লালনের মুক্তি হোক"।
"ভক্তির আতিশয্য ও নির্মম বিদ্বেষ থেকে লালনের মুক্তি হোক"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবুল আহসান চৌধুরী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!