📌 রংপুরের গঙ্গাচড়ায় অটোরিকশাচালক মোকলেছুর রহমানের গলাকাটা লাশ উদ্ধার হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ জমি বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশ প্রাথমিকভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা বিবেচনা করছে
রংপুরের গঙ্গাচড়ায় নিজের অটোরিকশা নিয়ে বের হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর গলাকাটা অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির নাম মোকলেছুর রহমান (৫৫)। গতকাল শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের কাউয়াফান্দা এলাকায় তাঁর লাশ পাওয়া যায়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বাড়ি থেকে অটোরিকশা নিয়ে বের হন মোকলেছুর রহমান
- 📌 রাত সাড়ে ৯টার দিকে রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয় গজঘণ্টা ইউনিয়নের কাউয়াফান্দা এলাকায়
- 📌 নিহতের গলায় ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়
- 📌 ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি পাওয়া যায়নি
- 📌 পরিবারের অভিযোগ জমি বিরোধের জেরে হত্যা করা হয়েছে
- 📌 পুলিশ প্রাথমিকভাবে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের ঘটনা বিবেচনা করছে
📰 বিস্তারিত
গতকাল শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে নিজের কাজ শেষ করে অটোরিকশা নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন মোকলেছুর রহমান। তিনি গঙ্গাচড়া উপজেলার সদর ইউনিয়নের নবনীদাস এলাকার বাসিন্দা ছিলেন। রাত সাড়ে ৯টার দিকে এক পথচারী সড়কের পাশে একটি বাড়ির সামনে তাঁকে রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। তখন তিনি ছটফট করছিলেন। বাড়ির গেটেও রক্তের ছাপ ছিল। পথচারীর চিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পুলিশে খবর দেন।
গঙ্গাচড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুস ছবুর জানান, ঘটনাস্থলে অটোরিকশাটি না পাওয়ায় প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে দুর্বৃত্তরা অটোরিকশা ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যেই তাঁকে হত্যা করেছে। তবে পরিবারের অভিযোগসহ সম্ভাব্য সব বিষয় গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটিত হবে বলে জানান তিনি।
নিহতের ছেলে মিজানুর রহমান দাবি করেন, তাঁর বাবাকে অটোরিকশা ছিনতাইয়ের জন্য হত্যা করা হয়নি। তিনি আরও জানান, জমি নিয়ে বিরোধের জেরেই তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। নিহতের ভাই মমিনুর ইসলামও একই দাবি করেন। তাঁরা জানান, জমি নিয়ে বিরোধের একটি মামলায় ১৩ আগস্ট আদালতে হাজিরা দিতে গিয়েছিলেন মোকলেছুর। সেখান থেকে বের হওয়ার সময় প্রতিপক্ষের এক ব্যক্তি তাঁকে গলা কাটার হুমকি দিয়েছিলেন।
অভিযুক্ত পক্ষের স্বজনেরা এই অভিযোগ অস্বীকার করেন। সেকেন্দার মিয়ার ছেলের স্ত্রী রুবিনা বেগম বলেন, ‘তাদের সঙ্গে আমাদের মামলা চলছে, তাই বলে আমরা কেন তাঁকে হত্যা করতে যাব?’ তিনি আরও বলেন, সবাই বলছে অটো ছিনতাইয়ের কারণেই এই ঘটনা ঘটেছে।’
‘গেটে লাগা রক্ত দেখে মনে হচ্ছে লোকটি নিজেকে বাঁচানোর জন্য আমাদের গেটে এসে ডাকছিলেন। আমরা ঘরের ভেতর থেকে বুঝতে পারিনি। পরে চিৎকার-চেঁচামেচিতে বাইরে এসে তাঁকে এই অবস্থায় দেখি।’ — নওশা মিয়ার স্ত্রী
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: গঙ্গাচড়া, রংপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মোকলেছুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫৫ বছর, ২৫ লাখ টাকা, ১৩ আগস্ট
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!