📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে সরকারের প্রতি ন্যায়বিচার ও দায়ীদের বিচারের দাবি জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আর কোনো পরিবারকে অনন্ত অপেক্ষায় থাকতে হবে না
ঢাকা: গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর অনন্ত অপেক্ষার অবসান ঘটাতে এবং দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করতে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। আগামীকাল ৩০ আগস্ট আন্তর্জাতিক গুম দিবস উপলক্ষে শনিবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্মরণে আন্তর্জাতিক দিবস উপলক্ষে সরকারের প্রতি দাবি জানিয়েছেন
- 📌 তিনি বলেন, গুম শুধু ব্যক্তিকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানবাধিকার ও ন্যায়বিচারের ওপর নির্মম আঘাত
- 📌 বাংলাদেশে গুমকে রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারের অভিযোগ তুলে ধরেন তিনি
- 📌 রিজভী দাবি করেন, রাষ্ট্রের কোনো সংস্থা যেন আর কখনো গুমকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে না পারে
📰 বিস্তারিত
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারগুলোর প্রতি গভীর সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, বিশ্বের সব গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের প্রতি তিনি সংহতি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশে বিগত বছরগুলোয় রাষ্ট্রীয় নিপীড়ন ও কর্তৃত্ববাদী শাসনের সময়ে গুমের শিকার প্রত্যেক ব্যক্তিকে তিনি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
রিজভী উল্লেখ করেন, গুম শুধু একজন মানুষকে তার পরিবার ও সমাজ থেকে অদৃশ্য করে দেওয়া নয়; এটি মানুষের স্বাধীনতা, মর্যাদা, ন্যায়বিচার এবং জীবনের অধিকারের ওপর নির্মম আঘাত। বছরের পর বছর প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষা, তাঁর ভাগ্য সম্পর্কে অনিশ্চয়তা এবং সত্য জানার অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়ার যন্ত্রণা কোনো পরিবারের বহন করা উচিত নয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে গুম রাজনৈতিক দমন-পীড়ন ও ভিন্নমত স্তব্ধ করার একটি ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে। বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী, মানবাধিকারকর্মী ও ভিন্নমাতাবলম্বীসহ বহু মানুষ এর শিকার হয়েছেন। অনেক পরিবার আজও জানে না তাদের প্রিয়জন কোথায়, কী অবস্থায় আছেন কিংবা আদৌ ফিরে আসবেন কি না।
"গুমের প্রতিটি ঘটনার সত্য উদঘাটন, নিরপেক্ষ ও বিশ্বাসযোগ্য তদন্ত এবং দায়ী ব্যক্তিদের আইনের আওতায় আনা ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার অপরিহার্য শর্ত। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান আইনের ঊর্ধ্বে থাকতে পারে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!