📌 মরুকরণ ও ভূমি অবক্ষয় মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী বাংলাদেশ। জাতিসংঘের কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে মঙ্গোলিয়া ও ভারতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু
ঢাকা, ২৯ আগস্ট ২০২৬: মরুকরণ, ভূমি অবক্ষয় ও খরা প্রতিরোধে আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদার করতে মঙ্গোলিয়া ও ভারতের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। জাতিসংঘের মরুকরণ মোকাবিলা কনভেনশনের ১৭তম কনফারেন্স অব দ্য পার্টিজ (UNCCD COP17)-এর সাইডলাইনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকগুলোতে পরিবেশ, বাণিজ্য, শ্রম অভিবাসন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়গুলো আলোচিত হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জাতিসংঘের কপ-১৭ সম্মেলনের সাইডলাইনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু
- 📌 গত ২৪ আগস্ট ভারতের পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে বৈঠকে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি ও উপকূলীয় অঞ্চল রক্ষায় যৌথ উদ্যোগের বিষয়ে আলোচনা
- 📌 মঙ্গোলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী সান্দাগ-ওচির সেন্টের সঙ্গে বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতায় এমওইউ প্রণয়নের সম্ভাবনা
- 📌 জলবায়ু পরিবর্তনজনিত মানব চলাচলের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারে গুরুত্বারোপ
- 📌 বাংলাদেশি কর্মীদের মঙ্গোলিয়ার শ্রমবাজারে কর্মসংস্থানের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা
📰 বিস্তারিত
জাতিসংঘের মরুকরণ মোকাবিলা কনভেনশনের ১৭তম সম্মেলনের (কপ-১৭) সাইডলাইনে চারটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বৈঠকগুলোতে পরিবেশ ও জলবায়ু ইস্যুর পাশাপাশি বাণিজ্য, শ্রম অভিবাসন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও প্রযুক্তি বিনিময়ের বিষয়গুলো গুরুত্ব পায়। সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের জলবায়ু সহনশীলতা ও পরিবেশ ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী করার উদ্যোগকে স্বাগত জানানো হয়।
গত ২৪ আগস্ট ভারতের পরিবেশমন্ত্রী ভূপেন্দ্র যাদবের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতাকে আরও বিস্তৃত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। এতে জলবায়ু-সহনশীল কৃষি, পানি সম্পদের দক্ষ ব্যবহার, খরা ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং বন ও জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে যৌথ উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। বিশেষভাবে সুন্দরবন ও বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলের উপকূলীয় বাস্তুতন্ত্র রক্ষার বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।
মঙ্গোলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী সান্দাগ-ওচির সেন্টের সঙ্গে বৈঠকে দুই দেশের পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতাকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার বিষয়ে আলোচনা হয়। এ লক্ষ্যে পরিবেশ ও জলবায়ু সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) প্রণয়নের বিষয়েও মতবিনিময় করা হয়। ভূমি পুনরুদ্ধার, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ, জলবায়ু অভিযোজন ও টেকসই প্রাকৃতিক সম্পদ ব্যবস্থাপনাকে সম্ভাব্য সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূমি অবক্ষয়ের মতো আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা জরুরি। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সফল উদ্যোগ থেকেও বাংলাদেশ শিখতে আগ্রহী।
"জলবায়ু পরিবর্তন ও ভূমি অবক্ষয়ের মতো আন্তঃসীমান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্ব জোরদার করা জরুরি। বাংলাদেশের অভিজ্ঞতা ও সক্ষমতা অংশীদার দেশগুলোর সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সফল উদ্যোগ থেকেও বাংলাদেশ শিখতে আগ্রহী।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: উলানবাটর, মঙ্গোলিয়া
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আবদুল আউয়াল মিন্টু
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৭
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!