📌 রাজশাহীর দুই ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শনে সারের পর্যাপ্ত মজুত পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক। ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন। সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দও ডিলারদের দেওয়া হয়েছে
রাজশাহীর মহানগর এলাকায় অবস্থিত বিসিআইসির মতিহার জোনের ডিলার এবং পবা উপজেলার কাটাখালী পৌর এলাকার ডিলারের বিক্রয়কেন্দ্র পরিদর্শন করেছেন প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা। পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, রাজশাহীতে সারের কোনো সংকট নেই।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজশাহী জেলায় ইউরিয়া সারের মজুত রয়েছে ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন
- 📌 আমন ধান রোপণের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে
- 📌 সেপ্টেম্বর মাসের সার বরাদ্দ ডিলারদের দেওয়া হয়েছে
- 📌 কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের ঘোষণা
- 📌 অভিযানে ১ হাজার ২৯৩ বস্তা সার উদ্ধার এবং ৩ লাখ টাকা জরিমানা আদায়
📰 বিস্তারিত
বুধবার দুপুরে রাজশাহী মহানগরের চৌদ্দপাই এলাকার ডিলার মেসার্স মোসলেম মোল্লা ও পবা উপজেলার কাটাখালী পৌর এলাকার ডিলার মেসার্স নাহার এন্টারপ্রাইজ পরিদর্শন করেন রাজশাহী বিভাগীয় কমিশনার মো. ইউসুফ আলী, জেলা প্রশাসক কাজী শহিদুল ইসলাম, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোস্তফা কামাল হোসেন, পবা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ইবনুল আবেদীন এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ এমএ মান্নান।
পরিদর্শন শেষে জেলা প্রশাসক শহিদুল ইসলাম বলেন, রাজশাহীতে সারের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে। জেলার গুদামগুলোতে বর্তমানে ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন ইউরিয়া সার মজুত আছে। তিনি জানান, আমন ধান রোপণের প্রায় ৯০ শতাংশ কাজ শেষ হওয়ায় নন-ইউরিয়া সারের চাহিদা কমেছে। তবে ইউরিয়া সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, সেপ্টেম্বর মাসের বরাদ্দ ডিলারদের দেওয়া হয়েছে। আগামী বৃহস্পতিবার থেকে তারা সার উত্তোলন করতে পারবেন। কোনো পর্যায়েই যাতে কৃষকেরা হয়রানি বা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন।
জেলা প্রশাসক জানান, একজন ডিলার সরকারি বরাদ্দ থেকে কতটুকু সার উত্তোলন করেছেন, কতটুকু গুদামে মজুত রেখেছেন এবং দিন শেষে কতটুকু সার বিক্রি করেছেন—এর হিসাব প্রতিদিন উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছে জমা দিতে হবে। এর মাধ্যমে সার বিতরণ ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা হচ্ছে।
"কৃত্রিম সংকট, অবৈধ মজুত বা কালোবাজারির চেষ্টা করলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কোনো পর্যায়েই যাতে কৃষকেরা হয়রানি বা নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে সার কিনতে বাধ্য না হন, সে বিষয়ে প্রশাসন ও কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা নজরদারি করছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজশাহী মহানগর ও পবা উপজেলা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: কাজী শহিদুল ইসলাম (জেলা প্রশাসক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৯০ শতাংশ, ২ হাজার ৪৬৯ মেট্রিক টন, ১ হাজার ২৯৩ বস্তা, ৩ লাখ টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!