📌 রাজবাড়ী জেলায় আয়োজিত এক শ্রমিক সমাবেশে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সরকারের প্রতি শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। সমাবেশে অন্যান্য নেতৃবৃন্দও শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের কথা তুলে ধরেন
রাজবাড়ী জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজনে রাজবাড়ী কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত এক শ্রমিক সমাবেশে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সরকারের প্রতি প্রত্যেক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। তিনি বলেন, দেশের জিডিপি বৃদ্ধি, বৈদেশিক রেমিট্যান্স অর্জন এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জনে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 রাজবাড়ী জেলায় শ্রমিক সমাবেশে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান শ্রমিকদের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান
- 📌 সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন রেলওয়ে এমপ্লয়িজ লীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি আক্তারুজ্জামান, জামায়াতের রাজবাড়ী জেলা আমির অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম, হাসমত আলী মাস্টার, আজাহরুল ইসলাম ও অ্যাডভোকেট রনজু বিশ্বাস
- 📌 প্রধান অতিথি বলেন, দেশের সব জাতীয় সংগ্রামে শ্রমিকদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে
- 📌 বক্তারা ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নের মাধ্যমে শ্রমিকদের অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবি জানান
📰 বিস্তারিত
রাজবাড়ী জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের আয়োজনে রাজবাড়ী কনভেনশন সেন্টারে আয়োজিত শ্রমিক সমাবেশে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন কেন্দ্রীয় সভাপতি অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান সরকারের প্রতি প্রত্যেক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণের দাবি জানান। তিনি বলেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে শ্রমিকদের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি আরো বলেন, দেশের জিডিপি অর্জন, বৈদেশিক রেমিট্যান্স সংগ্রহ এবং খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জনে শ্রমিক সমাজের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি।
সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান বলেন, ‘শ্রমিকদের অধিকার বাস্তবায়নে দেশে ইসলামী শ্রমনীতি আইন বাস্তবায়ন করতে হবে।’ তিনি আরো উল্লেখ করেন, দেশের সব জাতীয় সংগ্রামে শ্রমিকদের অগ্রণী ভূমিকা রয়েছে। তিনি বলেন, ‘৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ, ৯০-এর স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে ২৪-এর আওয়ামী ফ্যাসিস্ট সরকার উৎখাতের সংগ্রামে শ্রমিকরা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে।’
সমাবেশে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা বলেন, দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলন-সংগ্রামে শ্রমিকদের অবদান রয়েছে। তারা উল্লেখ করেন, অধিকার আদায়ের সংগ্রাম শেষে শ্রমিকদেরই বেশি শোষণ ও নির্যাতনের শিকার হতে হয়। তারা বলেন, ‘এজন্যই আমরা চাই দেশে ইসলামী শ্রমনীতি চালু করা হোক। তাতে শ্রমিকরা তাদের ন্যায্য মজুরি পাবে।’
‘দেশের জিডিপি অর্জনে, বৈদেশিক রেমিট্যান্স অর্জনে ও খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্নতা অর্জনে সবচেয়ে বেশি অবদান রাখছে দেশের শ্রমিক সমাজ। তাই আগামীতে দেশে প্রত্যেক শ্রমিকের ন্যূনতম মজুরি ৩০ হাজার টাকা নির্ধারণ করতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: রাজবাড়ী জেলা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: অ্যাডভোকেট আতিকুর রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ হাজার টাকা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!