📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১:২৮ অপরাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

ক্ষুধার জ্বালায় লোকালয়ে ঢুকছে মুখপোড়া হনুমান, খাবারের খোঁজে গ্রামে ঘুরছে দলছুট দল

ক্ষুধার জ্বালায় লোকালয়ে ঢুকছে মুখপোড়া হনুমান, খাবারের খোঁজে গ্রামে ঘুরছে দলছুট দল

📷 ছবি: Ajker Patrika

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 আজকের পত্রিকা ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 মেহেরপুর ও গাংনী উপজেলায় খাবারের অভাবে মুখপোড়া হনুমানগুলো গ্রাম ও লোকালয়ে প্রবেশ করছে। স্থানীয়দের দেওয়া বিস্কুট ও পাউরুটিসহ খাবার খাচ্ছে তারা। বন বিভাগ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট আবাসস্থল না থাকায় সরকারি খাদ্য বরাদ্দ নেই

মেহেরপুর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও মাঠে খাবারের সন্ধানে ঘুরে বেড়াচ্ছে মুখপোড়া হনুমান। স্থানীয়দের দেওয়া বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাবার খাচ্ছে তারা। ক্ষুধার তাড়নায় মানুষের কাছাকাছি এসে খাবার গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ক্ষুধার কারণে মুখপোড়া হনুমানগুলো গ্রাম ও লোকালয়ে প্রবেশ করছে
  • 📌 স্থানীয়রা বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাবার দিয়ে সাহায্য করছেন
  • 📌 মেহেরপুর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় হনুমানের আনাগোনা দেখা যাচ্ছে
  • 📌 বন বিভাগ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট আবাসস্থল না থাকায় সরকারি খাদ্য বরাদ্দ নেই

📰 বিস্তারিত

মেহেরপুর জেলার বিভিন্ন গ্রাম ও মাঠে খাবারের খোঁজে ঘুরে বেড়াচ্ছে মুখপোড়া হনুমান। স্থানীয়দের দেওয়া বিস্কুট, পাউরুটি ও অন্যান্য খাবার খাচ্ছে তারা। ক্ষুধার তাড়নায় মানুষের কাছাকাছি এসে খাবার গ্রহণ করছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। গ্রামের বড় গাছগুলোতে অবস্থান নেওয়ার পাশাপাশি মানুষের বাড়ির ছাদ, প্রাচীর কিংবা দোকানের আশপাশেও দেখা যাচ্ছে হনুমানগুলোকে।

স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, এসব হনুমানের নির্দিষ্ট কোনো আবাসস্থল নেই। বিভিন্ন এলাকা ঘুরে বেড়ানোর কারণে তাদের জন্য সরকারি খাদ্য বরাদ্দও নেই। স্থানীয়রা জানান, মেহেরপুর ও গাংনী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রায়ই মুখপোড়া হনুমানের আনাগোনা দেখা যায়। কোনো বড় গাছ পেলে সেখানে অবস্থান নেয় তারা। ক্ষুধার্ত হলে বাড়ির ছাদ, প্রাচীর কিংবা দোকানের আশপাশে ঘোরাঘুরি করে।

ঝোড়াঘাট গ্রামের রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বাজারের একটি গাছের ওপর মুখপোড়া হনুমান দেখতে পাই। পরে দোকান থেকে বিস্কুট ও পাউরুটি এনে দিলে সেগুলো হাত থেকে নিয়ে খায়।’ তিনি আরও বলেন, ‘সাধারণত মুখপোড়া হনুমানগুলো ভারত থেকে আসে বলে শুনেছি। মাঠে যখন খাবার থাকে না, তখন খাবারের খোঁজে লোকালয়ে ঢুকে পড়ে।’

মেহেরপুর জেলা বন বিভাগের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হামিম হায়দার বলেন, ‘মুখপোড়া হনুমান অনেক সময় দলছুট হয়ে বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত এগুলো ভারত থেকে আসে। দীর্ঘদিন ধরে হনুমানের খাবারের জন্য কোনো বরাদ্দ নেই।’ তিনি আরও জানান, ‘হনুমানগুলো বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায়। তাদের নির্দিষ্ট কোনো স্থান নেই। এ কারণেই তিন বছর ধরে তাদের জন্য খাদ্যের কোনো বরাদ্দ নেই।’

‘ক্ষুধার যন্ত্রণা বড় যন্ত্রণা—তা মানুষ হোক বা পশু।’ — মো. সপন আলী

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: মেহেরপুর জেলা, গাংনী উপজেলা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: হামিম হায়দার (বন বিভাগ কর্মকর্তা), রফিকুল ইসলাম (স্থানীয়)
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ হাজার ৫০০ কেজি নিষিদ্ধ পলিথিন জব্দ

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖