📌 সৈয়দপুর রেল কারখানায় জনবল ও কাঁচামালের ঘাটতির কারণে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বেড়েছে। স্প্রিং বদল না করে প্যাকিং দিয়ে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে, ফলে কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না। ৬৬টি আন্তনগর ও ৬০টি মেইল ট্রেনের ৮১৮টি কোচ জুড়ে দেওয়া হয়েছে
পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনে দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়িয়ে তুলেছে সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানার জনবল ও কাঁচামালের ঘাটতি। রাজশাহী থেকে নীলফামারীর চিলাহাটি রুটে চলাচলকারী আন্তনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের একটি কোচের স্প্রিং ভেঙে বগি লাইনচ্যুত হওয়ার ঘটনা এই সমস্যার প্রতিফলন করছে। সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে আওতাধীন ৬৬টি আন্তনগর ও ৬০টি মেইল ট্রেনের ৮১৮টি কোচের মেরামত ও উৎপাদন কার্যক্রম আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জয়পুরহাটের আক্কেলপুরে আন্তনগর বরেন্দ্র এক্সপ্রেস ট্রেনের কোচের স্প্রিং ভেঙে বগি লাইনচ্যুত হয়েছে
- 📌 সৈয়দপুর রেল কারখানায় জনবল ও কাঁচামালের ঘাটতির কারণে ট্রেন মেরামত ও উৎপাদন কমে গেছে
- 📌 স্প্রিং প্রতি ৫ বছর পর বদলানোর কথা থাকলেও তা না বদলে প্যাকিং দিয়ে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে
- 📌 প্যাকিং খুলে যাওয়ায় কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না, ফলে ট্রেনে অতিরিক্ত ঝাঁকুনি হচ্ছে
- 📌 পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে আওতাধীন ৬৬টি আন্তনগর ও ৬০টি মেইল ট্রেনে ৮১৮টি কোচ জুড়ে দেওয়া হয়েছে
- 📌 পণ্য পরিবহনে ৯৫৬টি ব্রডগেজ ও ২০০টি মিটারগেজ ট্রেন চলাচল করছে
- 📌 ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ৫০টি সাদা ব্রডগেজ, ১০০টি লাল-সবুজ ব্রডগেজ ও ৫০টি মিটারগেজ কোচ রয়েছে
- 📌 ভারতীয় লাল-সবুজ ১২০টি কোচও রয়েছে সৈয়দপুর কারখানায়
📰 বিস্তারিত
সৈয়দপুর রেলওয়ে কারখানায় জনবলসংকটের কারণে ট্রেনের মেরামত ও উৎপাদন কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে। নাম প্রকাশ না করার শর্তে একজন ট্রেন পরীক্ষক জানিয়েছেন, স্প্রিং প্রতি ৫ বছর পর বদলানোর কথা থাকলেও তা করা হচ্ছে না। এর পরিবর্তে প্লেট বা প্যাকিং দিয়ে স্প্রিংয়ের উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে অল্প সময়ের মধ্যে প্যাকিং খুলে যাচ্ছে এবং কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না। এতে ট্রেনে অতিরিক্ত ঝাঁকুনি হচ্ছে, যা বড় ধরনের দুর্ঘটনার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে আওতাধীন ৬৬টি আন্তনগর ও ৬০টি মেইল ট্রেনের ৮১৮টি কোচের মেরামত ও উৎপাদন কার্যক্রম আশঙ্কাজনকভাবে কমে গেছে। এ ছাড়া পণ্য পরিবহনে ৯৫৬টি ব্রডগেজ ও ২০০টি মিটারগেজ ট্রেন চলাচল করছে। সৈয়দপুর কারখানায় ইন্দোনেশিয়া থেকে আমদানি করা ৫০টি সাদা ব্রডগেজ, ১০০টি লাল-সবুজ ব্রডগেজ ও ৫০টি মিটারগেজ কোচ রয়েছে। সেই সঙ্গে ভারতীয় লাল-সবুজ ১২০টি কোচও রয়েছে।
"স্প্রিং প্রতি ৫ বছর পর বদলানোর কথা থাকলেও তা না বদলে প্যাকিং দিয়ে উচ্চতা বাড়ানো হচ্ছে। ফলে অল্প দিনেই প্যাকিং খুলে যাচ্ছে এবং কোচগুলো ভার বহন করতে পারছে না।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: সৈয়দপুর রেল কারখানা, জয়পুরহাটের আক্কেলপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ট্রেন পরীক্ষক (নাম প্রকাশ না করা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ বছর (স্প্রিং বদলানোর সময়সূচী), ৬৬টি আন্তনগর, ৬০টি মেইল, ৮১৮টি কোচ, ৯৫৬টি ব্রডগেজ, ২০০টি মিটারগেজ, ৫০টি সাদা ব্রডগেজ, ১০০টি লাল-সবুজ ব্রডগেজ, ৫০টি মিটারগেজ কোচ, ১২০টি ভারতীয় কোচ
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!