📌 রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় যুব দিবসে বলেছেন, বাংলাদেশের যুবসমাজকে কর্মমুখী করে দেশের উন্নয়নে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। তিনি উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরের লক্ষ্যে যুবদের ভূমিকার গুরুত্ব জোরালোভাবে তুলে ধরেছেন।
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে যুবসমাজকে বাংলাদেশের প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তন নয়, দেশ গঠনের ক্ষেত্রেও যুবসমাজের অবদান অপরিহার্য। রোববার (১ নভেম্বর) অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি, এখন আমাদের এই দেশকে নির্মাণ করতে হবে। বিল্ড দিস কান্ট্রি, বিল্ড দিস নেশন।’
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **রাষ্ট্রপতি** মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যুবসমাজকে কর্মমুখী করে দেশের উন্নয়নে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে
- 📌 **জাতীয় যুব দিবস** অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বাংলাদেশকে উন্নয়নশীল দেশে রূপান্তরিত করার জন্য যুবদের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে
- 📌 **১৯৭৭ সালে** রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের উদ্যোগে যুবকনভেনশন শুরু হয়, যা পরবর্তীকালে যুব মন্ত্রণালয় ও যুব কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার ভিত্তি স্থাপন করে
- 📌 **বেগম খালেদা জিয়া** প্রত্যেক জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণের উদ্যোগ নেন, যুবসমাজকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে সক্ষম করে তোলেন
- 📌 **ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড** হিসেবে যুবসমাজকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের উন্নয়নে সাফল্য অর্জন করা সম্ভব
- 📌 **বর্তমান সরকারের** প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কমিটমেন্ট অনুযায়ী, যুবসমাজকে দেশ গড়ার ক্ষেত্রে প্রধান ভূমিকা পালন করতে হবে
- 📌 **বেকারত্বের সমস্যা** সমাধানের জন্য যুব অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে দেশব্যাপী প্রসারিত করতে হবে
📰 বিস্তারিত
রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশের যুবসমাজকে কর্মমুখী করে দেশের উন্নয়নে প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে ব্যবহার করতে হবে। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি, এখন আমাদের এই দেশকে নির্মাণ করতে হবে। বিল্ড দিস কান্ট্রি, বিল্ড দিস নেশন।’ তিনি জাতীয় যুব দিবসের অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে এই কথা বলেন।
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি যখন এই অনুষ্ঠানে যোগ দিতে আসছিলাম, তখন আমার মনে পড়ল, ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান প্রথম যুবকনভেনশন আয়োজন করেছিলেন। এরপরই যুব মন্ত্রণালয়, যুব অধিদপ্তর ও যুব কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল।’ তিনি শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া প্রত্যেক জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র নির্মাণ করেছিলেন। তার প্রতি আমি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করছি।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমাদের জনসংখ্যার কাঠামোতে যুবসমাজের অংশ সবচেয়ে বড়। এটাকে ডেমোগ্রাফিক ডিভিডেন্ড বলা হয়। এটাকে সঠিকভাবে কাজে লাগিয়ে নিঃসন্দেহে আমরা সাফল্য অর্জন করতে পারব।’ তিনি বলেন, ‘আমরা এখনো এলডিসি থেকে গ্র্যাজুয়েশন করব। আরো তিন বছর প্রস্তুতির জন্য সময় দেওয়া হয়েছে। সেই সময়ে আমাদের সক্ষমতা অর্জন করতে হবে।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘এখানে সবচেয়ে বড় ভূমিকা হচ্ছে যুবসমাজের। তারা আমাদের ভবিষ্যৎ নির্মাণের প্রধান কারিগর। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বলতেন, যুবসমাজ আমাদের মূল্যবান মানবসম্পদ।’ তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কমিটমেন্ট অনুযায়ী, যুবকদের সামনে এগিয়ে আসতে হবে। সবার আগে বাংলাদেশ এবং সবার জন্য বাংলাদেশ গড়তে যুবসমাজের ভূমিকা অপরিহার্য।’
রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানে বিভিন্ন স্টল দেখে আনন্দিত হন। তিনি বলেন, ‘আমাদের যুবক ও যুবতীরা স্বল্প পুঁজিতে কাজ করে বিদেশে রপ্তানি করছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তারা তাদের ব্যবসায়ে সাফল্য পাচ্ছেন। একজন নারী উদ্যোক্তা বলেছেন, তিনি খাবার তৈরি করে আয় করছেন এবং তার মেয়েকে বিদেশে পড়াশোনার জন্য পাঠিয়েছেন।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘আমি যখন আমার এলাকায় যাই, তখন দেখি আমাদের তরুণরা বেকার। সবাই চাকরির জন্য চাপা পড়ে। আমাদের ক্লিনার পদেও এমএ পাস করা শিক্ষিত তরুণরা চাকরি পাচ্ছে না। এই ক্ষেত্রে যুব অধিদপ্তরের কার্যক্রমকে দেশব্যাপী প্রসারিত করতে হবে।’
"আমরা দেশে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছি, এখন আমাদের এই দেশকে নির্মাণ করতে হবে। বিল্ড দিস কান্ট্রি, বিল্ড দিস নেশন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: জাতীয় যুব দিবস অনুষ্ঠান, ঢাকা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৯৭৭ (রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের যুবকনভেনশন শুরু)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!