📌 বিদ্যুৎ বিভাগ সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং চালু করতে ব্যর্থ স্বীকার করে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ১ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন। অনেক স্থানে ১ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং, ফিডার চালু হতে ২-৪ ঘণ্টা। ডিজেলচালিত কেন্দ্র বন্ধ — দৈনিক ১০০০-১৫০০ মেগাওয়াট ক্ষতি।
বিদ্যুৎ বিভাগ দেশজুড়ে সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং চালু করতে ব্যর্থ হয়েছে স্বীকার করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ গতকাল এক সপ্তাহ সময় চেয়েছেন। তিনি বলেন — "অনেক স্থানে এক ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং হয়েছে। আমরা দেখেছি একটি ফিডার বন্ধ হওয়ার পর বিদ্যুৎ সরবরাহ ফিরিয়ে আনতে ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগে। অনেক এলাকায় তা ৪ ঘণ্টা সময় নেয়। আমার এলাকাতেও এমন হয়েছে।"
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিদ্যুৎ বিভাগ সময়সূচি অনুযায়ী লোডশেডিং চালু করতে ব্যর্থ
- 📌 প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ১ সপ্তাহ সময় চেয়েছেন পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য
- 📌 অনেক স্থানে ১ ঘণ্টার বেশি লোডশেডিং; ফিডার পুনরায় চালু হতে ২-৩ ঘণ্টা, কোনো এলাকায় ৪ ঘণ্টা
- 📌 মঙ্গলবার থেকে দেশজুড়ে সময়সূচি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কর্তন চালু হয়েছিল
- 📌 সব ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ — দৈনিক ১০০০-১৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন বন্ধ
- 📌 কারণ: বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়
- 📌 আগামী সপ্তাহে নতুন লোডশেডিং সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে
- 📌 প্রতিমন্ত্রীর পূর্বাভাস: ১০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি হবে
📰 বিস্তারিত
রাজধানীর গুলশানে তাঁর বাসভবনে সাংবাদিকদের কাছে প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন — "অনেক স্থানে লোডশেডিং এক ঘণ্টার বেশি চলেছে। আমরা দেখেছি একটি ফিডার বন্ধ হওয়ার পর বিদ্যুৎ সরবরাহ পুনরায় চালু হতে ২-৩ ঘণ্টা সময় লাগে। অনেক এলাকায় তা ৪ ঘণ্টা সময় নেয়। আমার এলাকাতেও এমন হয়েছে। পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে তা সমাধানের জন্য আমাদের এক সপ্তাহ সময় দরকার।"
"গ্রাহকরা বিশেষ পরিস্থিতির কারণে পরিস্থিতি মেনে নিচ্ছেন। আমার মনে হয় আমরা ১০ দিনের মধ্যে সব ঠিক করতে পারব এবং এর পরে পরিস্থিতির উন্নতি হবে।" — নসরুল হামিদ, বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী
প্রতিমন্ত্রী জানান — প্রথম সপ্তাহের বিদ্যুৎ বিভ্রাটের তথ্য বিশ্লেষণের পর সরকার বিদ্যুৎ রেশনিংয়ের পরবর্তী পদক্ষেপ পরিকল্পনা করবে। গত মঙ্গলবার সরকার দেশজুড়ে সময়সূচি অনুযায়ী বিদ্যুৎ কর্তন চালু করেছিল — বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধির মধ্যে জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য কঠিন ব্যবস্থার অংশ হিসেবে।
একই সঙ্গে সব ডিজেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র সাময়িকভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে — যা জাতীয় গ্রিডে দৈনিক ১০০০-১৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ যোগ করত। প্রতিমন্ত্রী বলেন — আগামী সপ্তাহে লোডশেডিংয়ের নতুন সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে এবং সময়ের সাথে সাথে পরিস্থিতির উন্নতি হবে। প্রথম সপ্তাহের ফলাফল পাওয়ার পর আরেকটি লোডশেডিং সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।
এক প্রশ্নের উত্তরে প্রতিমন্ত্রী বলেন — তিনি আশা করছেন যে কিছু বিদ্যুৎকেন্দ্রে বিকল্প জ্বালানি (জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়া) ব্যবহার করা হবে এবং সেই কারণেই তিনি বর্তমান পরিস্থিতিকে সাময়িক বলে অভিহিত করছেন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📅 ঘোষণা: গতকাল (সাংবাদিকদের সাথে ব্রিফিং)
- 📍 স্থান: প্রতিমন্ত্রীর গুলশান বাসভবন, ঢাকা
- 👤 ব্যক্তি: নসরুল হামিদ — বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী
- ⏰ চাওয়া সময়: ১ সপ্তাহ (পরিস্থিতি মূল্যায়নের জন্য)
- 📅 পূর্বাভাস: ১০ দিনের মধ্যে পরিস্থিতির উন্নতি
- 📅 সময়সূচি চালু: গত মঙ্গলবার থেকে দেশজুড়ে
- 🔌 ডিজেলচালিত কেন্দ্র: সব সাময়িকভাবে বন্ধ
- ⚡ উৎপাদন ক্ষতি: দৈনিক ১০০০-১৫০০ মেগাওয়াট
- 🎯 কারণ: বৈশ্বিক জ্বালানি মূল্য বৃদ্ধিতে জ্বালানি সাশ্রয়
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!