📌 প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। অনুষ্ঠানে তিনি তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিয়েছেন। শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি তাঁদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন বলে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
- 📌 নিয়োগপত্র পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আবদুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি, শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী, গুরুতর আহত মো. আবদুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তার।
- 📌 প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন।
- 📌 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শহীদ আবদুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা ও আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না।
📰 বিস্তারিত
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ ও আহত পরিবারের ১০ সদস্যের হাতে চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন। উপ-প্রেস সচিব হাসান শিপলু জানান, প্রধানমন্ত্রী তাঁদের সঙ্গে কথা বলেন এবং পরিবারের খোঁজখবর নেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলন পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে মানুষের আত্মত্যাগের কথা তুলে ধরে বলেন, এসব আত্মত্যাগের মূল লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য ছিল একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলা।’ তিনি আরও বলেন, ‘যাঁদের আমরা হারিয়েছি, যাঁরা শারীরিকভাবে আহত হয়েছেন কিংবা অন্যভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তাঁদের সবার আত্মত্যাগের পেছনে একটি আকাঙ্ক্ষা ছিল, সেটি হলো বাংলাদেশকে আরও ভালো করা।’
রাষ্ট্র ও সরকারের নানা সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশকে বাস্তবতার নিরিখে এগিয়ে নিতে হবে। আমরা কী পেলাম, সেটিই সবচেয়ে বড় কথা নয়। বরং আমরা দেশকে কী দিতে পারলাম, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ।’
‘এই লক্ষ্য সামনে রেখে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে পারলে আগামী দিনে আমরা যে বাংলাদেশ চাই, সেই প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তোলা সম্ভব হবে।’
জুলাই আন্দোলনে শহীদ ও আহত ব্যক্তিদের আত্মত্যাগের যথাযথ মূল্যায়নের চেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে প্রধানমন্ত্রী জানান। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও ‘আমরা বিএনপি পরিবার’–এর সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: তেজগাঁও, প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১০
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!