📌 কক্সবাজার সৈকতে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী বর্জ্য দিয়ে সজ্জিত হয়ে ‘বর্জ্যমানব’ হিসেবে দৌড়ে পর্যটকদের সচেতন করলেন। জেলা প্রশাসক বলেন, গত ১০ দিনে ১০ লাখেরও বেশি পর্যটক এসেছেন এবং প্লাস্টিক বর্জ্য দূষণ রোধে প্রচারণা চালানো হয়েছে
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে আজ বুধবার সকালে একটি অস্বাভাবিক দৃশ্য দেখা গেল। ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী বর্জ্য পণ্য দিয়ে নিজেদের পুরো শরীর ঢেকে রেখে ‘বর্জ্যমানব’ হিসেবে দৌড়ে পর্যটকদের সচেতন করছিলেন। পর্যটকরা তাদের ছবি তুলছেন, ভিডিও ধারণ করছেন। এই উদ্যোগের মাধ্যমে পরিবেশ দূষণ ও প্লাস্টিকের ব্যবহার নিয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 কক্সবাজার সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী বর্জ্য দিয়ে ‘বর্জ্যমানব’ সেজে দৌড়ে পর্যটকদের সচেতন করলেন
- 📌 ‘সৈকত আমাদের অমূল্য সম্পদ’ — এই বার্তা দিয়ে পর্যটকদের প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলতে আহ্বান জানানো হয়
- 📌 জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান বলেন, গত ১০ দিনে অন্তত ১০ লাখ পর্যটক এসেছেন এবং তাদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক দূষণ সৃষ্টি করছে
- 📌 বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন জানান, বালুচরে ময়লা-আবর্জনা ফেলা জীববৈচিত্র্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে
- 📌 ১২ অক্টোবর সৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে ৫০ ফুট উচ্চতার বর্জ্য ভাস্কর্য উদ্বোধন করা হয়েছিল
📰 বিস্তারিত
কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতের সুগন্ধা পয়েন্টে আজ সকাল আটটার দিকে একটি বিশেষ পরিবেশ সচেতনতা কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। এই কর্মসূচিতে অংশ নেন ১২ জন স্বেচ্ছাসেবী, যারা নিজেদের পুরো শরীর বর্জ্য পণ্য দিয়ে ঢেকে রেখে ‘বর্জ্যমানব’ হিসেবে উপস্থিত হন। তাদের শরীরে ছিল বোতল, মগ, প্লাস্টিকের থালা, ইলেকট্রনিক বর্জ্য এবং অন্যান্য প্লাস্টিক পণ্য। পর্যটকরা তাদের দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে ছবি তুলছিলেন এবং ভিডিও ধারণ করছিলেন।
এই কর্মসূচির উদ্দেশ্য ছিল প্লাস্টিক ও পরিবেশ দূষণের বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করা। শোভাযাত্রায় অংশ নেন দুই শতাধিক শিক্ষার্থী, পরিবেশকর্মী ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। তিনি বলেন, ‘গত ১০ দিনে অন্তত ১০ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণ করেছেন। এখনো লাখো পর্যটক রয়েছেন। পর্যটকদের ব্যবহৃত প্লাস্টিক সাগর দূষিত করছে। তাই প্লাস্টিক বর্জ্য না ফেলতে প্রচারণা চালানো হয়েছে।’
বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশনের পরিচালক জামাল উদ্দিন বলেন, ‘সৈকত ভ্রমণে আসা মানুষজন অনেকে বালুচরে ময়লা-আবর্জনা ফেলে রাখেন। বিশেষ করে প্লাস্টিক। এসব সমুদ্রের পানিতে ছড়িয়ে দূষণ সৃষ্টি করছে। বালুচরে ময়লা-আবর্জনা ফেলার জন্য অসংখ্য ডাস্টবিন রাখা হলেও অনেকের সেদিকে নজর থাকে না। প্লাস্টিক বর্জ্য পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্যের ওপর কতটা প্রভাব ফেলে, তা দেখাতে ১২ জন নারী-পুরুষ বর্জ্যমানব সেজেছেন।’
"সৈকত আমাদের অমূল্য সম্পদ, সৈকতের সৌন্দর্য উপভোগ করুন, যত্রতত্র ময়লা-আবর্জনা ফেলবেন না, প্লাস্টিক ব্যবহারে সচেতন হোন"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কক্সবাজার সমুদ্রসৈকত, সুগন্ধা পয়েন্ট
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান, জামাল উদ্দিন (বিদ্যানন্দ ফাউন্ডেশন), ১২ জন ‘বর্জ্যমানব’
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১২ জন বর্জ্যমানব, ১০ লাখ পর্যটক, ৫০ ফুট উচ্চতার বর্জ্য ভাস্কর্য
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!