📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় টাকার লোভে আট বছরের এক শিশুকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে শিশুটি রক্ষা পায়। অভিযুক্ত মা-বাবা ও মাদকাসক্ত যুবককে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ধনুয়া গ্রামে টাকার লোভে আট বছরের এক শিশুকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপে শিশুটি রক্ষা পায়। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, স্থানীয় এক মাদকাসক্ত যুবকের সঙ্গে শিশুটিকে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়। তবে শিশুটির বুদ্ধিমত্তা ও প্রশাসনের তৎপরতার কারণে সেই আয়োজন ব্যর্থ হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলায় টাকার লোভে আট বছরের শিশুকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা
- 📌 শিশুটি পালিয়ে প্রতিবেশীর কাছে আশ্রয় নেয় এবং প্রশাসনকে জানায়
- 📌 অভিযুক্ত মা-বাবা ও মাদকাসক্ত যুবককে আইনের আওতায় আনার নির্দেশ
- 📌 স্থানীয় ইউএনও শিশুটিকে নিরাপদে রাখতে ব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন
- 📌 অভিযুক্ত কাজীকে খুঁজে বের করে আইনের মুখোমুখি করার নির্দেশ
📰 বিস্তারিত
গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার ধনুয়া গ্রামে টাকার লোভে আট বছরের এক শিশুকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, স্থানীয় এক মাদকাসক্ত যুবকের সঙ্গে শিশুটিকে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়। শিশুটির নাম মীম (ছদ্ম নাম)। সে তৃতীয় শ্রেণীতে পড়াশোনা করে। হঠাৎ করেই এক বখাটে যুবকের নজর পড়ে শিশুটির ওপর। টাকার লোভ দেখিয়ে হতদরিদ্র মা-বাবাকে রাজি করানো হয়। ফলে মাদকাসক্ত যুবকের সঙ্গে শিশুটিকে জোর করে বিয়ে দেওয়ার আয়োজন করা হয়। কাজী ডেকে বিয়ে সম্পন্ন করা হলেও প্রশাসনের পদক্ষেপে সেই আয়োজন ব্যর্থ হয়।
শিশুটি জানায়, ‘১৫ দিন আগে তাকে পার্শ্ববর্তী ভালুকা উপজেলার কাশর গ্রামের রমজান আলীর ছেলে রুবেলের সঙ্গে জোরপূর্বক বিয়ে দেওয়া হয়। তার মা-বাবা অনেক ভয়ভীতি হুমকি দেয়। বিয়ে না করলে তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলবে বলে হুমকি দেয়।’ শিশুটি আরও জানায়, ‘আসছে শুক্রবার তাকে স্বামীর বাড়িতে তুলে দেওয়ার আয়োজন চলছিল। মা-বাবার মুখে এমন আলাপ শুনে রোববার বিকালে পালিয়ে প্রতিবেশী নানা সিরাজুল ইসলামের বাড়িতে যাই।’
শিশুর প্রতিবেশী মামা শরিফুল ইসলাম বলেন, ‘হঠাৎ করে শিশুটি এসে বিস্তারিত ঘটনা খুলে বলে। বিষয়টি শুনার পর আমাদের মাথা ঠিক ছিলো না। সঙ্গে সঙ্গে লোকজন নিয়ে শিশুর মা-বাবা আর ছেলেটিকে ধরতে যাই। কিন্তু আমাদের এমন তৎপরতার কারণে ওঁরা পালিয়ে গেছে।’ তিনি আরও জানান, থানা পুলিশ ও ইউএনওকে বিষয়টি জানানো হয়েছে। প্রশাসন সঙ্গে সঙ্গে কাজ শুরু করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শিশুটিকে তার হেফাজতে রাখতে নির্দেশনা দিয়েছেন।
‘ছেলেটা চিহ্নিত মাদকাসক্ত। টাকার লোভে পড়ে এমন কাজ করছে তার মা-বাবা। এই মেয়ে বিয়ের কিছু বুঝে?’ — স্থানীয় প্রতিবেশী মামা শরিফুল ইসলাম
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ধনুয়া গ্রাম, শ্রীপুর উপজেলা, গাজীপুর
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মীম (৮ বছর), মা-বাবা, মাদকাসক্ত যুবক রুবেল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৮ বছর, ১৫ দিন, ৩টি মাদক মামলা
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!