📌 চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে পাঁচ বছর আগে কাভার্ডভ্যান চালক সজিব হত্যাকাণ্ডে তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আসামিরা মরদেহ গুম করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন এলাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে সংঘটিত এক হত্যাকাণ্ডের মামলায় তিন আসামিকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ সোমবার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মো. তাজউল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন। একই সঙ্গে প্রত্যেক আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করা হয়।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 চট্টগ্রামের পাহাড়তলীতে ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর নিখোঁজ হন কাভার্ডভ্যান চালক মো. সজিব
- 📌 দুই দিন পর অর্থাৎ ২৭ অক্টোবর পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোড এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ
- 📌 হত্যাকাণ্ডের দায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত তিন আসামি হলেন মো. নুরুল আমিন, মো. শাহজাহান ও মো. নুরুল আলম টুটুল
- 📌 আদালত প্রত্যেক আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেন
📰 বিস্তারিত
চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন এলাকায় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের মামলায় আদালত তিন আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। বিচারক মো. তাজউল ইসলাম আজ সোমবার এই রায় ঘোষণা করেন। আসামিরা হলেন মো. নুরুল আমিন, মো. শাহজাহান ও মো. নুরুল আলম টুটুল। আদালত প্রত্যেক আসামিকে পঞ্চাশ হাজার টাকা অর্থদণ্ডও প্রদান করেন।
মামলার সূত্র অনুযায়ী, ২০২১ সালের ২৫ অক্টোবর নোয়াখালীর চাটখিল থেকে চট্টগ্রামগামী কাভার্ডভ্যান চালক মো. সজিব নিখোঁজ হন। পরে ২৭ অক্টোবর দুপুরে পাহাড়তলী থানাধীন টোল রোড এলাকার একটি কৃষিজমি থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। ঘটনার পর নিহতের ভাই ইকবাল হোসেন রবিউল বাদী হয়ে চট্টগ্রাম নগরের পাহাড়তলী থানায় মামলা করেন।
পুলিশ দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করে। তাঁরা আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। মামলায় মোট ৩৬ জন সাক্ষীর মধ্যে ২১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হয়। আসামিদের মধ্যে মো. নুরুল আমিন ও মো. শাহজাহান পলাতক থাকায় তাঁদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। রায় ঘোষণার পর আসামি মো. নুরুল আলম টুটুলকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়।
"আসামিরা মরদেহ গুম করার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হন। আদালত তাঁদের মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: চট্টগ্রামের পাহাড়তলী থানাধীন এলাকা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: বিচারক মো. তাজউল ইসলাম, আসামি মো. নুরুল আলম টুটুল, মো. নুরুল আমিন, মো. শাহজাহান
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির সংখ্যা ৩, অর্থদণ্ড ৫০ হাজার টাকা, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদানকারী আসামির সংখ্যা ২
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!