📅 ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫১ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

বিরোধী দলের বিরূপ অবস্থান: মানবাধিকার কমিশন বিল আলোচনা থেকে সরে দাঁড়ালেন সংসদ সদস্যরা

বিরোধী দলের বিরূপ অবস্থান: মানবাধিকার কমিশন বিল আলোচনা থেকে সরে দাঁড়ালেন সংসদ সদস্যরা

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনা থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। তাঁদের অভিযোগ, সরকার একতরফাভাবে বিলটি উপস্থাপন করেছে এবং অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে

আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনা থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। বৈঠক শুরুর পরই তাঁরা বৈঠক ত্যাগ করেন এবং পরবর্তী কোনো পর্যায়েই এ বিলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। গত বৃহস্পতিবার বিলটি সংসদে উপস্থাপনের পর তা পর্যালোচনার জন্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে প্রেরণ করা হয়। রোববার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত বৈঠকে সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে আলোচনা হলেও মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে কোনো আলোচনা হয়নি।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 বিরোধী দলীয় তিন সংসদ সদস্য আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটিতে মানবাধিকার কমিশন বিল আলোচনা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন
  • 📌 তাঁদের অভিযোগ, সরকার একতরফাভাবে বিলটি উপস্থাপন করেছে এবং অংশীজনদের মতামত উপেক্ষা করা হয়েছে
  • 📌 বিলটি জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক মানদণ্ড প্যারিস প্রিন্সিপালসের সঙ্গে অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে অভিযোগ তাঁদের
  • 📌 স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা স্বাধীন পর্যালোচনার সুযোগ সীমিত করেছে

📰 বিস্তারিত

আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়ে আলোচনা থেকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্যরা নিজেদের সরিয়ে নিয়েছেন। বৈঠক শুরুর পরই তাঁরা বৈঠক ত্যাগ করেন এবং পরবর্তী কোনো পর্যায়েই এ বিলের আলোচনায় অংশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আইন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সদস্য ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য নাজিবুর রহমান। তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিরোধী দলীয় তিন সংসদ সদস্য—নাজিবুর রহমান আল ফারুক, আব্দুল লতিফ ও আখতার হোসেন—লিখিতভাবে তাঁদের অবস্থান তুলে ধরেছেন।

লিখিত বক্তব্যে তাঁরা উল্লেখ করেন, সরকার ভুক্তভোগী, অংশীজন ও দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ রহিত করেছে। তাঁদের দাবি, সরকার বিলটি বাতিলের সময় আরও শক্তিশালী ও কার্যকর আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল; কিন্তু সংসদে উপস্থাপিত বিলটি তার চেয়ে দুর্বল ও সীমিত পরিসরের। প্রস্তাবিত বিলটি জাতীয় মানবাধিকার প্রতিষ্ঠানগুলোর বৈশ্বিক জোটের স্বীকৃত মানদণ্ড প্যারিস প্রিন্সিপালস এবং আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় বলেও অভিযোগ তাঁদের।

তাঁরা আরও জানান, সাংসদীয় স্থায়ী কমিটিকে মাত্র দুই কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যা অংশীজনদের সঙ্গে যথাথ মতবিনিময় এবং স্বাধীনভাবে বিলটি পর্যালোচনা ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ সীমিত করেছে। এর ফলে স্থায়ী কমিটিকে একটি ‘রাবার স্ট্যাম্পে’ পরিণত করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে বলে তাঁরা উল্লেখ করেন।

"সরকার ভুক্তভোগী, অংশীজন ও দেশি-বিদেশি মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মতামত উপেক্ষা করে একতরফাভাবে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ ২০২৫ রহিত করেছে। প্রস্তাবিত বিলটি প্যারিস প্রিন্সিপালস এবং আন্তর্জাতিক কনভেনশনের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: জাতীয় সংসদ ভবন, বাংলাদেশ
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নাজিবুর রহমান আল ফারুক, আব্দুল লতিফ, আখতার হোসেন
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: তিনজন বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖