📌 আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি পুনরায় ফিরে আসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তিনি মোংলায় মিরাজ শেখসহ সব গুমের ঘটনার স্বাধীন তদন্ত ও বিচারের দাবি তুলেছেন
ঢাকা: আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষ্যে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মো. নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত গুমের সংস্কৃতি নির্মূলে জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। রোববার (৩০ আগস্ট) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এই দাবি তুলে ধরেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 বিরোধীদলীয় নেতা নাহিদ ইসলাম রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি পুনরায় ফিরে আসার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন
- 📌 শেখ হাসিনার শাসনামলে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমকে নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে অভিযোগ
- 📌 মোংলায় মিরাজ শেখের গুমের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন তিনি
- 📌 গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের বিধান রাখার দাবি জানান
- 📌 গুমের শিকার ব্যক্তিদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরার ও বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান
📰 বিস্তারিত
বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, শেখ হাসিনার দেড় দশকের শাসনামলে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের ভয়াবহ হাতিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে, বিরোধী দল ও মতের অসংখ্য নাগরিক রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পরিচালিত এই নৃশংসতার শিকার হয়েছেন। অনেকেই আজও নিখোঁজ রয়েছেন, আর তাদের স্বজনরা বছরের পর বছর ধরে প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় দিন কাটাচ্ছেন।
তিনি আরও বলেন, আয়নাঘর নামক অন্ধকার প্রকোষ্ঠে অসংখ্য মানুষকে আটকে রেখে যে অমানবিক নির্যাতন চালানো হয়েছিল, তা বিশ্বমানবতাকে লজ্জিত করেছে। গুম হওয়া স্বজনদের ফিরে পাওয়ার আকুতি ও তাদের পরিবারের দীর্ঘশ্বাসের ওপর দাঁড়িয়েই ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিপ্লবের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তবে দুর্ভাগ্যজনকভাবে, বিপ্লব-পরবর্তী বাংলাদেশেও বহু পরিবার প্রিয়জনের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছেন।
মোংলায় মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি উল্লেখ করেন যে, অতীতে গুমের বিরুদ্ধে অবস্থান নিলেও বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন রয়েছে। তিনি বলেন, এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
‘গুমের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত না করলে বাংলাদেশের গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়। আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবসে সুস্পষ্ট দাবি জানিয়ে বলছি, মোংলায় গুমের শিকার মিরাজ শেখসহ আওয়ামী লীগ আমলে গুমের শিকার সব ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হবে। তাদের পরিবারের কাছে সত্য তুলে ধরতে হবে এবং গুমের প্রতিটি ঘটনার বিচার দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নাহিদ ইসলাম
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩০ (আগস্ট)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!