📌 ঠাকুরগাঁওয়ে অনুষ্ঠিত আনন্দভ্রমণে তরুণেরা গ্রামীণ জীবন ও প্রকৃতির সঙ্গে পরিচিত হন। প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বার্তা নিয়ে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন বিভিন্ন স্তরের মানুষ
ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কচুবাড়ি কৃষ্টপুরে অবস্থিত মাফ শিশু ও বৃদ্ধাশ্রমে ২৪ আগস্ট আয়োজিত হয় ‘ফিরে চল শিকড়ের টানে’ শীর্ষক আনন্দভ্রমণ। গ্রামীণ আবহমান বাংলার প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হওয়ার লক্ষ্যে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন স্থানীয় বন্ধুসভা ও তরুণেরা।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ভ্রমণ আয়োজিত হয় ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কচুবাড়ি কৃষ্টপুরের মাফ শিশু ও বৃদ্ধাশ্রমে
- 📌 গ্রামীণ প্রকৃতি ও জীবনযাত্রার সঙ্গে পরিচিত হন তরুণেরা
- 📌 মাটির ঘর, প্রাচীন বটগাছ ও পাখির কোলাহলে মুগ্ধ হন অংশগ্রহণকারীরা
- 📌 প্রকৃতি ও ঐতিহ্য সংরক্ষণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্দেশ্যে আয়োজন
- 📌 অংশ নেন আব্দুল্লাহ আল মামুন, নুসরাত নিশি, এস এম ইবনে আলিফ, মারুফ হাসান প্রমুখ
📰 বিস্তারিত
আধুনিকতার প্রভাব থেকে তরুণ প্রজন্মকে গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্যের সঙ্গে পরিচিত করাতেই এই ভ্রমণের আয়োজন করা হয়। মাটির ঘর, প্রাচীন বটগাছ, বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা এবং পাখির অবাধ বিচরণ অংশগ্রহণকারীদের মুগ্ধ করে। শহুরে জীবনে বেড়ে ওঠা তরুণদের কাছে গ্রামীণ পরিবেশ প্রায় অপরিচিত হলেও এই ভ্রমণের মাধ্যমে তারা প্রকৃতির সঙ্গে নিজেদের সম্পর্ক পুনঃআবিষ্কার করেন।
সভা প্রধান আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘প্রকৃতির সঙ্গে আমাদের শিকড়ের সম্পর্ক অত্যন্ত গভীর। নতুন প্রজন্ম যেন গ্রামীণ পরিবেশ ও ঐতিহ্য থেকে দূরে না সরে যায়, সেজন্যই এই উদ্যোগ।’ তিনি আরও বলেন, ‘তরুণেরা প্রকৃতিকে ভালোবাসুক এবং জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণে ভূমিকা রাখুক।’
ভ্রমণে অংশগ্রহণকারী নুসরাত নিশি বলেন, ‘এই আয়োজনের মাধ্যমে শুধু বিনোদন নয়, নিজেদের শিকড় ও প্রকৃতিকে জানা এবং সংরক্ষণের বার্তা তরুণদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়া সম্ভব হয়েছে।’ তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, এমন উদ্যোগ প্রকৃতি ও শিকড়ের সঙ্গে মানুষের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করবে।’
‘আধুনিকতার প্রভাবে নতুন প্রজন্ম ধীরে ধীরে গ্রামীণ পরিবেশ ও আবহমান বাংলার ঐতিহ্য থেকে দূরে সরে যাচ্ছে। তাঁদের সেই শিকড়ের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিতেই এই উদ্যোগ।’ — আব্দুল্লাহ আল মামুন, সভাপতি, ঠাকুরগাঁও বন্ধুসভা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কচুবাড়ি, ঠাকুরগাঁও
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আব্দুল্লাহ আল মামুন, নুসরাত নিশি
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২৪
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!