📅 ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

অদম্য শিল্পী নিতুন কুন্ডুর জীবন ও শিল্পের অবিস্মরণীয় গল্প: কাজের মাঠেই বিদায় নিলেন বীর শিল্পী

অদম্য শিল্পী নিতুন কুন্ডুর জীবন ও শিল্পের অবিস্মরণীয় গল্প: কাজের মাঠেই বিদায় নিলেন বীর শিল্পী

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 শিল্পী নিতুন কুন্ডুর জীবন ও কর্মের গল্পে ডুবে গেলো এক অদম্য শিল্পী। ৩৮ বছর পর একক প্রদর্শনী করার স্বপ্ন পূরণ না হলেও তিনি কাজের মাঠেই বিদায় নিলেন। হৃদ্রোগ ও মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণের কারণে ২০০৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর চলে গেলেন নিতুনদা

শিল্পকলার জগতে অদম্য আগ্রাসীতা নিয়ে যাত্রা শুরু করেছিলেন নিতুন কুন্ডু। কিন্তু জীবনের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তাঁর শিল্পীজীবনকে অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছিলেন। ২০০৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কাজের মাঠেই ছিলেন। একক প্রদর্শনী করার স্বপ্ন পূরণ না হলেও তাঁর জীবন ও কর্মের গল্প আজও শিল্পজগতে আলোকিত করছে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 ৩৮ বছর পর একক প্রদর্শনী করার স্বপ্ন পূরণ না হলেও নিতুন কুন্ডু কাজের মাঠেই বিদায় নিলেন
  • 📌 ১৯৯২ সালে হৃদ্রোগে আক্রান্ত হলেও তিনি কাজের মধ্যে থাকতে চেয়েছিলেন — শেষ পর্যন্ত কাজের মধ্যেই মৃত্যু ঘটলো
  • 📌 চীনে কাজের জন্য গিয়ে সকালে ফিরে আসার পরই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হন — মৃত্যু ঘটলো ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৬
  • 📌 তাঁর মেয়ে অমিতি কুন্ডু জানান, বাবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হলেও...
  • 📌 শিল্পীজীবনকে অগ্রাধিকার দিতে চেয়েছিলেন — নিজের ইজেল বসিয়ে, কম্পিউটার ব্যবহার শিখে কাজ করতেন

📰 বিস্তারিত

শিল্পী নিতুন কুন্ডুর জীবন ছিল কাজের মাঝে। ২০০৫ সালের ডিসেম্বর থেকে শুরু করে ২০০৬ সালের মার্চ পর্যন্ত একক প্রদর্শনী করার পরিকল্পনা ছিল তাঁর। কিন্তু সেই প্রদর্শনী আর হয়নি। তিনি ভাবছিলেন, ছবি, বইয়ের প্রচ্ছদ, ভাস্কর্য — সব মিলিয়ে এক বিশাল প্রদর্শনী করার। কিন্তু সেই স্বপ্ন পূরণের আগেই তাঁকে চলে যেতে হলো।

মতিউর রহমানের লেখায় বলা হয়েছে, নিতুনদা শিল্পী হিসেবে জীবন শেষ করতে চেয়েছিলেন। তিনি নিজের ইজেল বসিয়ে, কম্পিউটার ব্যবহার শিখে কাজ করতেন। কিন্তু কাজের মাঝেই তাঁর মৃত্যু ঘটলো। ২০০৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কাজের মধ্যে ছিলেন।

১৯৯২ সালে সার্ক ফোয়ারা নির্মাণের কাজের সময় তিনি হৃদ্রোগে আক্রান্ত হন। হাসপাতালে দেখতে গিয়ে তাঁর হাত ধরে রেখেছিলেন। কিন্তু তিনি আবার কাজে ফিরে যান। তাঁর জীবনমন্ত্র ছিল — যতদিন বেঁচে থাকবেন, কাজের মধ্যে থাকবেন।

২০০৬ সালের ২২ সেপ্টেম্বর চলে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি কাজের মাঠেই ছিলেন। চীনে কাজের জন্য গিয়ে সকালে ফিরে আসার পরই মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হন। মৃত্যু ঘটলো সেই দিনই। তাঁর মেয়ে অমিতি জানান, বাবা মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসার জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হলেও...

"আমি আবার শিল্পকলার জগতে পুরোপুরি ফিরে যেতে চাই। শেষ পর্যন্ত শিল্পকর্ম নিয়েই থাকতে চাই।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা, চীন
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: নিতুন কুন্ডু, মতিউর রহমান, অমিতি কুন্ডু
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৮ বছর, ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৬

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖