📌 নীলফামারী সৈয়দপুরের একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের সক্রিয় হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। দুজন যুবক পুকুরে গোসল করতে গিয়ে গ্রেনেডের স্পর্শ লাগে, পরে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট গ্রেনেডটিকে নিরাপদভাবে হস্তান্তর করে। ধারণা করা হচ্ছে এটি ৩৬ মডেলের গ্রেনেড, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের হতে পারে
নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের একটি সক্রিয় হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর) বিকেল সাড়ে পাঁচটায় ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহের পুকুরে দুজন যুবক গোসল করতে নামলে তাদের পায়ে পানির নিচে থাকা বস্তুটির স্পর্শ লাগে। তারা সেটি পানি থেকে তুলে পুকুরপাড়ে নিয়ে ঘোরাফেরা করেন, পরে আবার পুকুরে ফেলে দেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ৪ সেপ্টেম্বর বিকেল সাড়ে ৫টায় নীলফামারী সৈয়দপুরের একটি পুকুর থেকে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের সক্রিয় গ্রেনেড উদ্ধার করা হয়।
- 📌 দুজন যুবক (তানভির ও আনসারুল) পুকুরে গোসল করতে গিয়ে গ্রেনেডের স্পর্শ লাগে, পরে তারা সেটি আবার পুকুরে ফেলে দেন।
- 📌 র্যাব-১৩ ও র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে গ্রেনেডটিকে নিরাপদভাবে হস্তান্তর করে।
- 📌 ৩৬ মডেলের হ্যান্ড গ্রেনেড ধারণা করা হচ্ছে, যা ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের পূর্ব বা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ের হতে পারে।
- 📌 পুকুরে আরও গ্রেনেড বা বিস্ফোরক থাকার সম্ভাবনা থাকায় পানি সেচে তল্লাশি চলছে।
📰 বিস্তারিত
বোতলাগাড়ী ইউনিয়নের শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া এলাকার আশির উদ্দিন শাহের পুকুরে দুজন যুবক গোসল করতে নামেন। তাদের মধ্যে একজন তানভিরের পায়ে পানির নিচে থাকা বস্তুটির স্পর্শ লাগে। তারা সেটি পানি থেকে তুলে পুকুরপাড়ে নিয়ে কিছুক্ষণ ঘোরাফেরা করেন, পরে আবার পুকুরে ফেলে দেন। এলাকাবাসীর অভিযোগ, বিষয়টি সৈয়দপুর থানায় জানানো হলেও প্রথমে গ্রেনেডটিকে খেলনা বলে এড়িয়ে যাওয়া হয়। পরে তারা র্যাবকে খবর দেন।
খবর পেয়ে শুক্রবার র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর একটি দল ঘটনাস্থলে যায়। নীলফামারী র্যাবের স্কোয়াড কমান্ডার এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম ও কোম্পানি কমান্ডার আশরাফুল কবিরের নেতৃত্বে দলটি পুকুর থেকে গ্রেনেডটি উদ্ধার করে। পরে গ্রেনেডটি সক্রিয় বলে ধারণা হওয়ায় রংপুর থেকে র্যাবের বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিটের একটি দল ঘটনাস্থলে আসে। সার্জেন্ট আব্দুল বারীর নেতৃত্বে দলটি গ্রেনেডটি পরীক্ষা করে।
র্যাব জানায়, ধারনা করা হচ্ছে এটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবহৃত কোনো গ্রেনেড নয়, গ্রেনেডটি ১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধের সময়কার অথবা তারও আগে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হতে পারে। এটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বলে ধারণা করা হচ্ছে। পুকুরে আরও কোনো গ্রেনেড বা বিস্ফোরক রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত করতে পানি সেচে পুকুরটি তল্লাশির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
"আমরা দুপুরে সংবাদ পাই। এখানে এসে দেখি এটি গ্রেনেডসদৃশ একটি বস্তু। এটি সাম্প্রতিক সময়ে ব্যবহৃত কোনো গ্রেনেড নয়। ধারণা করা হচ্ছে, এটি ১৯৭১ সালের অথবা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়কার হতে পারে। এটি ৩৬ মডেলের একটি হ্যান্ড গ্রেনেড বলে আমরা ধারণা করছি।"
— আশরাফুল কবির, র্যাব-১৩ নীলফামারী সিপিসি-২-এর কোম্পানি কমান্ডার
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: শ্বাসকান্দর ডাঙ্গাপাড়া, বোতলাগাড়ী ইউনিয়ন, সৈয়দপুর উপজেলা, নীলফামারী
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আশরাফুল কবির, আব্দুল বারী, এএসপি এটিএম তৌহিদুল ইসলাম, তানভির ও আনসারুল
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৪ সেপ্টেম্বর, ৫:৩০ টা, ৩৬ মডেলের গ্রেনেড
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!