📌 নেত্রকোনার মোহনগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ মুন্নী আক্তারকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। স্বামী সোহাগ মিয়াসহ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা হলেও আসামিরা এলাকায় ঘুরছেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। মানববন্ধনে এলাকাবাসী বিচারের দাবি জানিয়েছেন
নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলায় যৌতুকের দাবিতে গৃহবধূ মুন্নী আক্তারকে হত্যার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছেন এলাকাবাসী। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে উপজেলার বড়কাশিয়া-বিরামপুর ইউনিয়নের সোনারামপুর গ্রামে মোহনগঞ্জ-সমাজ সড়কে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে দুই শতাধিক মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 মুন্নী আক্তার (২২) নামে এক গৃহবধূকে যৌতুকের দাবিতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে
- 📌 মুন্নীর স্বামী সোহাগ মিয়া ও পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে
- 📌 মুন্নীর লাশ উদ্ধারের পর স্বামীসহ পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যান
- 📌 মানববন্ধনে আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবি জানানো হয়
📰 বিস্তারিত
মোহনগঞ্জ উপজেলার কয়ড়াপাড়া গ্রামের স্বামীর বাড়িতে মুন্নী আক্তারের লাশ উদ্ধার করা হয় গত ১০ আগস্ট দিবাগত রাতে। ঘটনার পর স্বামী সোহাগ মিয়া ও পরিবারের সদস্যরা পালিয়ে যান বলে জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মুন্নীর বাবা ইদ্রিছ মিয়া বাদী হয়ে থানায় আত্মহত্যার প্ররোচনার মামলা করেন। মামলায় মুন্নীর স্বামী সোহাগ মিয়া, শ্বশুর-শাশুড়িসহ সাতজনকে আসামি করা হয়। এছাড়া অজ্ঞাত আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করা হয়েছে।
মানববন্ধনে মুন্নীর মা নুরজাহান আক্তার বলেন, ‘যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন সোহাগ মিয়াসহ তাঁর পরিবারের লোকজন।’ মুন্নীর ভাই মো. আনিছ মিয়া জানান, মামলা করার পরও আসামিরা এলাকায় ঘুরছেন। হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দিতে তাঁরা উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধে লুটপাটের অভিযোগ করেছেন।
মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম বলেন, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে মুন্নীর মৃত্যুর সঠিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। পরে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে বলে জানান তিনি।
‘যৌতুকের জন্য নির্যাতন করে আমার মেয়েকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছেন সোহাগ মিয়াসহ তাঁর পরিবারের লোকজন।’ — ইদ্রিছ মিয়া, মুন্নীর বাবা
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: মোহনগঞ্জ, নেত্রকোনা
- 👥 মুখ্য ব্যক্তি: মুন্নী আক্তার (২২), স্বামী সোহাগ মিয়া
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ২২ বছর, দুই শতাধিক অংশগ্রহণকারী
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!