📌 নেত্রকোনার দুর্গাপুরে ১৪ বছর ৩ মাস বয়সী এক কিশোরীর বাল্যবিবাহ আয়োজন করা হয়েছিল। উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিয়ে বন্ধ হয়ে যায় এবং কনের বাবাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখলা গ্রামে একটি বাল্যবিবাহ আয়োজন করা হয়েছিল। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) দুপুর আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে প্রশাসন তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধ করে দেয়। উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিয়ের আয়োজন বন্ধ করেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 ১৪ বছর ৩ মাস বয়সী এক কিশোরীর বিয়ের আয়োজন করা হয়েছিল কেরনখলা গ্রামে
- 📌 উপজেলা প্রশাসনের অভিযানে বিয়ে বন্ধ হয়ে যায় এবং বরের আগমনের অপেক্ষায় ছিল অতিথিরা
- 📌 নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে বিয়ে বন্ধ করেন
- 📌 কনের বাবা আব্দুল জলিলকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে
- 📌 কিশোরীর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়েছে
📰 বিস্তারিত
নেত্রকোনার দুর্গাপুর উপজেলার চণ্ডিগড় ইউনিয়নের কেরনখলা গ্রামে একটি বাল্যবিবাহ আয়োজন করা হয়েছিল। ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান তাৎক্ষণিকভাবে বিয়ে বন্ধ করে দেন। কনের পরিবার ইতোমধ্যে অতিথিদের দাওয়াত দিয়ে খাবারের ব্যবস্থা করেছিল। শুধু বরযাত্রীর অপেক্ষায় ছিল তারা।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিজানুর রহমান জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তিনি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। কিশোরীর বয়স যাচাই করে বাল্যবিবাহের সত্যতা পান তিনি। এরপর বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়। একই সঙ্গে, কিশোরীর প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে কনের বাবা আব্দুল জলিলের কাছ থেকে মুচলেকা নেওয়া হয়।
তিনি আরো বলেন, কোথাও বাল্যবিবাহের আয়োজন করা হলে তাৎক্ষণিক প্রশাসনকে জানানোর জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।
‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বাল্যবিবাহের বিষয়টি জানতে পেরে তাৎক্ষণিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার আগে মেয়েটিকে বিয়ে না দেওয়ার বিষয়ে আইনি নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।’
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: কেরনখলা গ্রাম, চণ্ডিগড় ইউনিয়ন, দুর্গাপুর, নেত্রকোনা
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. মিজানুর রহমান (উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট)
- 👥 ব্যক্তি: আব্দুল জলিল (কনের বাবা)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ১৪ বছর ৩ মাস (কিশোরীর বয়স), ১০ হাজার টাকা (জরিমানা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!