📌 নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রীকে লাথি মারার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাস কিশোরকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে স্কুলছাত্রীকে লাথি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীকে টিসি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাস কিশোরকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
🔴 ঘটনার মূল পয়েন্ট
- 📌 স্কুলছাত্রীকে লাথি দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
- 📌 ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রীর পরিবার মামলা না করায় সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
- 📌 আগামী ছয় মাস কিশোরকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।
- 📌 স্কুলছাত্রীকে টিসি দেওয়ার বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
📰 বিস্তারিত
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানার পরিদর্শক আনোয়ার হোসেন জানান, গতকাল শনিবার বিকেলে অভিযুক্ত কিশোরকে তার রংপুরের বাড়ি থেকে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ থানায় আনা হয়। পরে সেখানে ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ও অভিযুক্ত কিশোরের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে আলোচনা শেষে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্কুলছাত্রীর পরিবার মামলা না করায় সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
জেলা সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তা নূর ফারজানা জানান, অভিযুক্ত কিশোরকে তার মা–বাবার জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে। এ সময় তাঁর মা–বাবাকে সঙ্গে নিয়ে প্রতি মাসে দুই থেকে তিনবার প্রবেশন কর্মকর্তার কাছে হাজিরা দিতে হবে। ভুক্তভোগী স্কুলছাত্রী ও তাঁর পরিবারের কোনো অভিযোগ না থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।
গত বৃহস্পতিবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, স্কুলের পোশাক পরা এক ছাত্রী শীতলক্ষ্যা নদীর পাড়ের ওয়াকওয়ে দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। এ সময় পেছন থেকে এক কিশোর তাকে লাথি মারছে। ছাত্রীটি প্রতিবাদ করলে আবারও তাকে লাথি মারা হয়। পরে ভিডিওটি ফেসবুক ও টিকটকে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন অভিযুক্ত কিশোরকে ধরে নিয়ে সালিস করেন। সেখানে তাকে কান ধরে ওঠবস করানো হয় এবং ভবিষ্যতে এমন কাজ না করার জন্য ক্ষমা চাইতে দেখা যায়।
"স্কুলছাত্রীর পরিবার মামলা না করায় সমাজসেবা বিভাগের প্রবেশন কর্মকর্তার তত্ত্বাবধানে কিশোরকে পরিবারের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। আগামী ছয় মাস তাকে কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা হবে।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: আনোয়ার হোসেন, নূর ফারজানা
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ছয় মাস
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!