📅 ২৬ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫০ পূর্বাহ্ণ এআই প্রযুক্তিতে যাচাই করা সর্বশেষ সঠিক বাংলা সংবাদ।
⚡ শেষ মুহূর্ত

মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের তিন প্রধান পথ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিস্তারিত

মানবদেহে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশের তিন প্রধান পথ ও স্বাস্থ্যঝুঁকির বিস্তারিত

📷 ছবি: প্রথম আলো

📡 নিউজ সোর্সগুলি:
🔗 প্রথম আলো ↗ ⚠ একক সোর্স
ℹ️ এই প্রতিবেদনটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI) দ্বারা একাধিক সংবাদমাধ্যমের তথ্যের ভিত্তিতে পুনর্লিখিত। মূল নিউজ সোর্সগুলি নিচে উল্লেখ করা হয়েছে।

📌 প্রতিদিন গড়ে পাঁচ গ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করছে মানুষের শরীরে। খাদ্য, শ্বাসপ্রশ্বাস ও ত্বকের মাধ্যমে এই ক্ষতিকর কণাগুলো দেহে প্রবেশ করে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এসব কণা রক্তনালি, ফুসফুস ও প্রজনন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করছে

ঢাকার স্কয়ার হাসপাতাল লিমিটেডের ইন্টারনাল মেডিসিন বিভাগের জুনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. আফলাতুন আকতার জাহান জানিয়েছেন, পাঁচ মিলিমিটারের চেয়ে ছোট প্লাস্টিক কণাকে বলা হয় মাইক্রোপ্লাস্টিক। মানুষের অজান্তেই প্রতিনিয়ত এই ক্ষতিকর পদার্থ শরীরে প্রবেশ করছে। বৈজ্ঞানিক গবেষণা অনুযায়ী, একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের শরীরে প্রতি সপ্তাহে গড়ে প্রায় পাঁচ গ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে।

🔴 মূল পয়েন্ট

  • 📌 খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে বোতলজাত পানি, প্রক্রিয়াজাত খাবার ও সামুদ্রিক মাছ থেকে
  • 📌 শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমে ফুসফুসে প্রবেশ করে সিন্থেটিক পোশাক ও যানবাহনের টায়ার ক্ষয়ের ফলে
  • 📌 ত্বকের মাধ্যমে প্রবেশ করে প্রসাধনী ও সিন্থেটিক কাপড়ের ঘর্ষণে
  • 📌 মাইক্রোপ্লাস্টিক রক্তনালি, ফুসফুস, যকৃৎ, মস্তিষ্ক ও প্রজনন অঙ্গের মারাত্মক ক্ষতি করে
  • 📌 প্রতি সপ্তাহে গড়ে পাঁচ গ্রাম মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে মানবদেহে

📰 বিস্তারিত

ডা. আফলাতুন আকতার জাহান জানান, মানুষের দৈনন্দিন অভ্যাসের কারণে মূলত তিনটি প্রধান উপায়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক মানবদেহে প্রবেশ করে। খাদ্য ও পানীয়ের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। বোতলজাত পানি, প্রক্রিয়াজাত খাবার, সামুদ্রিক মাছ ও প্রক্রিয়াজাত লবণে মাইক্রোপ্লাস্টিকের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এমনকি টি-ব্যাগেও এই ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্লাস্টিক বা ওয়ান-টাইম পাত্রে গরম খাবার ও পানীয় রাখলে প্লাস্টিকের ক্ষতিকর রাসায়নিক গলে সরাসরি খাবারে মিশে যায়। শ্বাসপ্রশ্বাসের মাধ্যমেও মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করে। কৃত্রিম তন্তুর পোশাক, ঘরের কার্পেট, আসবাবের ধুলা ও যানবাহনের টায়ার ক্ষয়প্রাপ্ত হয়ে বাতাসে মাইক্রোপ্লাস্টিক ছড়ায়।

ত্বক ও প্রসাধনীর মাধ্যমেও মাইক্রোপ্লাস্টিক প্রবেশ করতে পারে। ফেসওয়াশ, স্ক্রাব ও টুথপেস্টে ব্যবহৃত ‘মাইক্রোবিডস’ এবং সিন্থেটিক কাপড়ের ঘর্ষণে ত্বকের সূক্ষ্ম ছিদ্র দিয়ে এসব কণা শরীরে প্রবেশ করে।

"প্লাস্টিক তৈরিতে ব্যবহৃত বিসফেনল-এ ও থ্যালেটস মানবদেহের এন্ডোক্রাইন সিস্টেমে সরাসরি ব্যাঘাত সৃষ্টি করে। এগুলো ইস্ট্রোজেনসহ অন্যান্য হরমোনের স্বাভাবিক কার্যকারিতাকে বিভ্রান্ত করে থাইরয়েড ও মেটাবলিজমে ব্যাঘাত ঘটায়।"

📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ

  • 📍 স্থান: ঢাকা
  • 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: ডা. আফলাতুন আকতার জাহান
  • 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫ গ্রাম

📡 মূল নিউজ সোর্সসমূহ

এই প্রতিবেদনটি নিচের সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্যের ভিত্তিতে প্রস্তুত করা হয়েছে। মূল সংবাদ পড়তে নিচের লিংকে ক্লিক করুন:

📤 শেয়ার করুন: 📘 Facebook 💬 WhatsApp 𝕏 Twitter 💼 LinkedIn ✈️ Telegram

💬 মন্তব্য (0)

এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!

মন্তব্য অনুমোদনের পর প্রকাশ করা হবে। ইমেইল প্রকাশিত হবে না।
🤖