📌 ইসরাইলের সর্বশেষ নির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এবং বিরোধী জোট উভয়ই নেসেটের ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৭৩ সালের পর সর্বোচ্চ। জোট গঠনের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে হচ্ছে, যা দেশটিকে আরেকটি নির্বাচনের দিকে ঠেলে দিতে পারে
ইসরাইলের সর্বশেষ নির্বাচনে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের রেকর্ড অনুযায়ী, প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর জোট এবং বিরোধী জোট উভয়ই নেসেটের ৬১ আসনের প্রয়োজনীয় সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। নির্বাচন-পূর্ব জরিপে দেখা গেছে, নেতানিয়াহুর জোট ৫১ থেকে ৫২টি আসন পেতে পারে, যেখানে বিরোধী জোটের আশা ৪৯ থেকে ৫১টি আসন। তবে এক্সিট পোলে উভয় জোটই ৫১টি করে আসন পেয়ে সমতায় রয়েছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 **নেতানিয়াহুর জোট ও বিরোধী জোট উভয়ই ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি** — নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫১-৫২টি আসন, বিরোধী জোট ৪৯-৫১টি আসন।
- 📌 **ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে** — যা ২০২২ সালের তুলনায় ৭.১ শতাংশ বেশি এবং ১৯৭৩ সালের পর সর্বোচ্চ।
- 📌 **লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন পেয়ে বৃহত্তম দল** — গাদি আইজেনকোটের 'য়াশার' পেয়েছে ২১ থেকে ২২টি আসন।
- 📌 **আরব দলগুলোর ভূমিকা জোট গঠনে বাধা** — 'জয়েন্ট লিস্ট' ও 'রাম' যৌথভাবে ১৮-১৯টি আসন পেয়েছে, যা জোট আলোচনায় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
- 📌 **নেতানিয়াহু ও আইজেনকোটের 'ঐক্য সরকার' সম্ভাবনা নেই** — আইজেনকোট নেতৃত্বাধীন বিরোধী জোটের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার দাবি করেছেন, কিন্তু জোটের অভ্যন্তরে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয়নি।
- 📌 **উগ্র ডানপন্থী ছোট দল দুটি আসন পাবে না** — 'পিপলস অফ ইসরাইল' ও 'দ্য রিজার্ভিস্টস-ইকোনমিক পার্টি' উভয়ই নির্বাচনী থ্রেশহোল্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে।
📰 বিস্তারিত
ইসরাইলের নির্বাচনে কোনো দল সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় রাজনৈতিক অচলাবস্থা সৃষ্টি হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, মোট ভোটার উপস্থিতি ৭৭.৭ শতাংশে দাঁড়িয়েছে, যা ১৯৭৩ সালের পর সর্বোচ্চ। এই উচ্চ ভোটার উপস্থিতি সত্ত্বেও, নেতানিয়াহুর জোট এবং বিরোধী জোট উভয়ই নেসেটের ৬১ আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হয়েছে। এক্সিট পোল অনুযায়ী, নেতানিয়াহুর জোট পেয়েছে ৫১ থেকে ৫২টি আসন, যেখানে বিরোধী জোটের আশা ৪৯ থেকে ৫১টি আসন। তবে চ্যানেল ১৩ ও ১১-এর এক্সিট পোলে উভয় জোটই ৫১টি করে আসন পেয়ে সমতায় রয়েছে।
লিকুদ পার্টি ২৭টি আসন পেয়ে পরবর্তী নেসেটে একক বৃহত্তম দল হিসেবে দাঁড়িয়েছে। গাদি আইজেনকোটের 'য়াশার' পেয়েছে ২১ থেকে ২২টি আসন। অন্যদিকে, বিরোধী জোটের মধ্যে নাফতালি বেনেটের 'বিয়াহাদ' ১২ থেকে ১৪টি আসন পেয়ে তৃতীয় বৃহত্তম দল হতে যাচ্ছে। অ্যাভিগডোর লিবারম্যানের 'ইসরাইল বেইতেনু' ৭ থেকে ৯টি এবং ইয়াইর গোলানের 'ডেমোক্র্যাটস' ৯ থেকে ১০টি আসন পেতে পারে।
জোট গঠনের সম্ভাবনা খুবই কম বলে মনে হচ্ছে। নেতানিয়াহু এবং আইজেনকোটের 'ঐক্য জাতীয় সরকার' গঠনের সম্ভাবনা ক্ষীণ। আইজেনকোট পর্যায়ক্রমিক প্রধানমন্ত্রীত্বের অধীনেও নেতানিয়াহুর অধীনে কাজ করার প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন। বিরোধী জোটের নেতারা প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বাধীন জোটে যোগ দেওয়ার কথা নাকচ করে দিয়েছেন। আরব দলগুলোর ভূমিকা জোট গঠনে বাধা সৃষ্টি করেছে। 'জয়েন্ট লিস্ট' ও 'রাম' যৌথভাবে ১৮ থেকে ১৯টি আসন পেয়ে জোট আলোচনায় নিয়ামক শক্তি হিসেবে কাজ করছে।
এছাড়াও, উগ্র ডানপন্থী ছোট দল দুটি—ইয়োয়াজ হেনডেলের 'দ্য রিজার্ভিস্টস-ইকোনমিক পার্টি' এবং ওফের উইন্টারের 'পিপলস অফ ইসরাইল'—উভয়ই নির্বাচনী থ্রেশহোল্ড পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। এটি নেতানিয়াহুর জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের প্রচেষ্টাকে আরো জটিল করে তুলেছে।
"আইজেনকোট বিরোধী জোটের একক বৃহত্তম দলের নেতাকে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী করার দাবি জানিয়েছেন, যদিও এই ব্যবস্থার বিষয়ে বিরোধী শিবিরের ভেতরে কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি ঘোষিত হয়নি।"
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ইসরাইলের নেসেট (সাংসদসভা)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু, গাদি আইজেনকোট, ইয়াইর গোলান, নাফতালি বেনেট
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৬১ (আসনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা), ৭৭.৭ (ভোটার উপস্থিতি %), ২৭ (লিকুদ পার্টির আসন), ২১-২২ (য়াশার পার্টির আসন)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!