📌 দেশব্যাপী বিদ্যুৎ বিপর্যয়ে ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়নি। ডিএমটিসিএল দুটি বিকল্প ব্যবস্থা ব্যবহার করে মেট্রোরেলকে তিন ঘণ্টার জন্য চালু রাখতে সক্ষম হয়েছে
দেশব্যাপী বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও ঢাকার মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত রয়েছে। আজ মঙ্গলবার জাতীয় গ্রিডে আংশিক বিপর্যয়ের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মেট্রোরেলের সার্ভিসে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) জরুরি ব্যবস্থা ব্যবহার করে মেট্রোরেলের চলাচল নিশ্চিত করেছে।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 দেশব্যাপী বিদ্যুৎহীনতা সত্ত্বেও মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়নি — ডিএমটিসিএলের জরুরি ব্যবস্থা কাজে লাগানো হয়েছে।
- 📌 মতিঝিল সাবস্টেশন বন্ধ হয়ে গেলেও উত্তরা সাবস্টেশন থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা চালু হয়েছে।
- 📌 ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা এবং ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস) ব্যবহার করে মেট্রোরেল তিন ঘণ্টার জন্য চালু রাখা সম্ভব।
- 📌 ডিএমটিসিএলের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেছেন, জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ বন্ধ হলে প্রথমে নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা, পরে ব্যাটারি সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে।
📰 বিস্তারিত
আজ মঙ্গলবার জাতীয় গ্রিডে বিপর্যয়ের কারণে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মেট্রোরেলের সার্ভিসে কোনো ব্যাঘাত ঘটেনি। ডিএমটিসিএলের পরিচালক (অপারেশন অ্যান্ড মেইনটেন্যান্স) মো. নজরুল ইসলাম প্রথম আলোকে জানান, মেট্রোরেল চলাচল ব্যাহত হয়নি। তাঁরা উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ পেয়েছেন। ঢাকার উত্তরা থেকে মতিঝিল রুটে এখন মেট্রোরেল চলাচল করছে।
ডিএমটিসিএলের কর্মকর্তারা জানান, আজ বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পর মতিঝিলের সাবস্টেশনটি বন্ধ হয়ে যায়। এ সাবস্টেশনে মানিকনগর থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা হত। অন্যদিকে উত্তরা সাবস্টেশনে বিদ্যুৎ আসত টঙ্গী থেকে। মতিঝিল সাবস্টেশন বন্ধ হওয়ার পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা উত্তরা সাবস্টেশনের আওতায় চলে যায়। ফলে উত্তরা সাবস্টেশন থেকে বিদ্যুৎ নিয়ে মেট্রোরেল চলাচল অব্যাহত থাকে।
ডিএমটিসিএল সূত্র জানায়, জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেলেও মেট্রোরেল চালু রাখার জন্য দুটি বিকল্প ব্যবস্থা রয়েছে। এর একটি হলো ৩৩ কেভি জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা, যা ডিএমটিসিএলের নিজস্ব বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা। জাতীয় গ্রিড থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে এই ব্যবস্থা কাজে লাগানো হবে। এর মাধ্যমে অন্তত দুই ঘণ্টা মেট্রোরেল চালু রাখা সম্ভব। এই ব্যবস্থার বিদ্যুৎ সরবরাহ শেষ হলে চালু করা যাবে ইমার্জেন্সি সাব সিস্টেম (ইএসএস)। এটি মূলত ব্যাটারির মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংরক্ষণের ব্যবস্থা। জরুরি পরিস্থিতিতে এই সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যায়। এ ব্যবস্থায় আরও এক ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো সম্ভব।
"সারা দেশে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকলেও বিকল্প ব্যবস্থায় তিন ঘণ্টা মেট্রোরেল চালানো যাবে।"
ডিএমটিসিএলের পরিচালক নজরুল ইসলাম বলেন, জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ হলে প্রথমে জরুরি বিদ্যুৎ উৎপাদনব্যবস্থা এবং পরে ব্যাটারিতে সংরক্ষিত বিদ্যুৎ ব্যবহার করা যাবে। তবে এই দুই ব্যবস্থার বিদ্যুৎও শেষ হয়ে গেলে এবং এর মধ্যে জাতীয় গ্রিডের বিদ্যুৎ সরবরাহ স্বাভাবিক না হলে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ হয়ে যাবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা (উত্তরা, মতিঝিল, মানিকনগর, টঙ্গী)
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: মো. নজরুল ইসলাম (ডিএমটিসিএলের পরিচালক)
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৩৩ কেভি (জরুরি বিদ্যুৎ সরবরাহব্যবস্থা)
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!