📌 হাম প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ নয়, কার্যকর টিকাদানই একমাত্র পথ বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালে হামের বিস্তারের মূল কারণ টিকাদান ও মাতৃদুগ্ধের অ্যান্টিবডির ঘাটতি। আগামী অক্টোবরে ৫টি বিভাগীয় শহরে নতুন শিশু হাসপাতাল চালু হবে বলে ঘোষণা দেন তিনি
ঢাকা, ১৯ আগস্ট ২০২৬: হামের মতো মারাত্মক সংক্রামক রোগ প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ নয়, সঠিক সময়ে কার্যকর টিকাদানই একমাত্র সমাধান বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত। রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল ও ইনস্টিটিউটে আয়োজিত ‘হামের বিস্তার ও জিনগত নজরদারি’ বিষয়ক কর্মশালা ও গবেষণা অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
🔴 মূল পয়েন্ট
- 📌 হাম প্রতিরোধে ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ নয়, টিকাদানই একমাত্র কার্যকর উপায় বলে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত
- 📌 গবেষণায় দেখা গেছে, ২০২৬ সালে হামের বিস্তারের মূল কারণ ‘B3’ ধরনের ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং টিকাদান ও মাতৃদুগ্ধের অ্যান্টিবডির ঘাটতি
- 📌 ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী অপুষ্ট শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে বলে জানান প্রতিমন্ত্রী
- 📌 টিকাদানের গতি শতভাগ বাড়ালেও প্রাদুর্ভাব নিয়ন্ত্রণে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে বলে জানান তিনি
- 📌 আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৫টি বিভাগীয় শহরে নতুন শিশু হাসপাতাল চালু হবে বলে ঘোষণা দেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
📰 বিস্তারিত
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত বলেন, হাজারটা ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ বেড বসিয়ে হামের মতো রোগের মৃত্যুর ঢল থামানো যাবে না। তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রতিরোধ ও টিকাদানই এর একমাত্র সমাধান। তাঁর মতে, ২০২৪ সালের টিকাদান ক্যাম্পেইনে সময়মতো উদ্যোগ না নেওয়া এবং নীতিগত গাফিলতির কারণে অনাক্রম্যতার ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, যার ফলস্বরূপ আজকের এই মহামারি দেখা দিয়েছে।
গবেষণায় উঠে এসেছে যে, ২০২৬ সালে হামের বিস্তারের মূল কারণ বিশ্বজুড়ে প্রচলিত তীব্র সংক্রামক ‘B3’ ধরনের ভাইরাসের বিস্তার এবং টিকাদান ও মাতৃদুগ্ধের অ্যান্টিবডির ঘাটতি। বিশেষ করে, ৯ মাস বয়সের আগেই মায়ের দেওয়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দ্রুত কমে যাওয়ায় এবং নিয়মিত টিকাদানে অবহেলার ফলে ৬ থেকে ৯ মাস বয়সী অপুষ্ট শিশুরা সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যুর ঝুঁকিতে রয়েছে।
প্রতিমন্ত্রী জানান, টিকাদানের গতি শতভাগ বাড়ালেও প্রাদুর্ভাব পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আসতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগবে। তবে এ সময়ের মধ্যেই সর্বোচ্চ চিকিৎসা ও মাঠপর্যায়ের নজরদারির মাধ্যমে শিশুমৃত্যু কমিয়ে আনার জোর প্রচেষ্টা চলছে।
"হাজারটা ভেন্টিলেটর বা আইসিইউ বেড বসিয়ে এই মৃত্যুর ঢল থামানো যাবে না। প্রতিরোধ এবং টিকাদানই এর একমাত্র সমাধান।"
স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ঘোষণা করেন, আগামী অক্টোবরের মধ্যেই দেশের ৫টি বিভাগীয় ও জেলা শহরে নবনির্মিত ৫টি পূর্ণাঙ্গ শিশু হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করবে। তিনি জানান, তৃণমূল পর্যায়ের চিকিৎসাব্যবস্থাকে শক্তিশালী করতে দেশের প্রতিটি ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ১৫০ শয্যায় উন্নীত করা হচ্ছে। উপজেলা পর্যায়ে শিশু স্বাস্থ্য (পেডিয়াট্রিকস), মেডিসিন, সার্জারি ও গাইনি—এই চার মূল বিষয়কে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
📊 তথ্যের সারসংক্ষেপ
- 📍 স্থান: ঢাকা, বাংলাদেশ
- 👥 খবরের মুখ্য ব্যক্তি: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. এম এ মুহিত
- 🔢 গুরুত্বপূর্ণ সংখ্যা: ৫টি বিভাগীয় শহর, ৫০ থেকে ১৫০ শয্যা, ১ লাখ নতুন স্বাস্থ্য মাঠকর্মী, ৫ হাজার নতুন চিকিৎসক
💬 মন্তব্য (0)
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!